
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শহীদ আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন। সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর জাফরপাড়ায় নিজের বাড়িতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ দাবি তোলেন।
শহীদ আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন বলেন, ‘শেখ হাসিনা ১৫ বছর ধরে গুম, খুন, মিথ্যা মামলা দিয়ে লোকজনকে হয়রানি করেছে। ৩০০ লোকের লাশের কোনো খোঁজ নাই। আমার ছেলেও হত্যা করার জন্য হুকুম দিছে। তাই তাদের বিচার চাই আমি, বাংলার মাটিতে নিয়ে এসে স্বৈরাচারী খুনি হাসিনাকে ফাঁসির কাষ্ঠে যেন ঝোলায়। এইটা আমার সরকারের কাছে দাবি।’
ঢাকায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে দায়ের করা মামলার রায় ঘোষণা হচ্ছে আজ। প্রধান আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ তাঁদের ‘মাস্টারমাইন্ড’ ও ‘হুকুমদাতা’ হিসেবে অভিযুক্ত করেছে। আসামিদের মধ্যে শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বর্তমানে পলাতক এবং ভারতে অবস্থান করছেন বলে আদালতে উল্লেখ করা হয়।
উল্লেখ্য, গত বছর ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটকের সামনে পুলিশের গুলিতে নিহত বেরোবির ইংরেজি ১২ ব্যাচের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। আন্দোলন দমনে পুলিশের পাশাপাশি অংশ নেন ছাত্রলীগের হেলমেটধারী কর্মীরা। সেই ঘটনায় আবু সাঈদের বড় ভাই রমজান আলী ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন এবং পরে আদালতের নির্দেশে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীসহ আরও সাতজনকে সম্পূরক আসামি করা হয়।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে