পুঠিয়া প্রতিনিধি
রাজশাহীর পুঠিয়ায় কান্দ্রা গুচ্ছ গ্রামে গত ২৪ জানুয়ারি খলিলুর রহমান (৭০) প্রতিবেশী ১২ বছরের এক কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এই ঘটনায় দোষীকে আটক ও ফাঁসির দাবিতে প্রতিবাদ মিছিল ও মানববন্ধন করেন গ্রামবাসীরা।
আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় গ্রামবাসীদের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি পুঠিয়া রাজবাড়ি থেকে শুরু হয়ে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের পুঠিয়া উপজেলা পরিষদের সামনে গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণকারী গ্রামবাসীরা পুঠিয়া উপজেলা পরিষদের সামনে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা মানববন্ধন করেন। মানববন্ধন শেষে এ ঘটনার বিচারের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়।
মানববন্ধনে জাকিরুল ইসলাম নামে একজন বলেন, ‘একজন জনপ্রতিনিধি ধর্ষণে অভিযুক্ত খলিলুর রহমানকে মদদ দিচ্ছেন। ওই জনপ্রতিনিধির সরাসরি ইন্ধন থাকায় পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করছেন না। যার কারণে ঘটনার ৬ দিন পেরিয়ে গেলেও থানা-পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। তাই আজ ইউএনও বরাবর আরেকটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কিশোরীর মা ও মামলার বাদী বলেন, ‘আমার মেয়েটি সহজ সরল। তাকে ধর্ষণ করা হলো। এই ঘটনার বিচার চাওয়াতে ধর্ষণে অভিযুক্ত খলিলুর রহমানের পরিবারের লোকজন আমার স্বামী ও দেবরকে মারধর করেছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করায় আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। একটি প্রভাবশালী মহল অভিযুক্তকে রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন দপ্তরে তদবির করছেন। যার কারণে আমরা সঠিক বিচার পাব বলে মনে হচ্ছে না।’
জরিনা বেগম নামে একজন বলেন, ‘ভুক্তভোগীর পরিবারটি খুবই অসহায়। একটি প্রভাবশালী মহল ধর্ষণের ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। সেই সঙ্গে একটি চক্র বিষয়টি গোপনে মীমাংসা করার জন্য ওই পরিবারকে চাপও দিচ্ছে। এই কারণে গ্রামবাসীরা ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আর ঘটনার সঠিক বিচারের দাবি নিয়ে গ্রামবাসী রাস্তায় নেমেছেন। আমরা ধর্ষণে জড়িত খলিলকে আটক ও তাঁর ফাঁসি দাবি করছি। এ ছাড়া তাকে সহযোগিতাকারীদেরও শাস্তি দাবি করছি।
এ ব্যাপারে থানার ওসি সোহরাওয়ার্দী হোসেন বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনায় ওই কিশোরীর মা তিনজনের নামে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় এখনো কেউ আটক হয়নি। আর আমরা অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা করছি।’
দোষীর শাস্তির দাবিতে প্রতিবাদ মিছিল ও মানববন্ধনের বিষয়ে জানতে চাইলে থানার ওসি সোহরাওয়ার্দী বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই।
এদিকে গ্রামবাসীদের লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল হাই মো. আনাছ বলেন, আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গণ স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে আইনগত ভাবে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৪ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পুঠিয়া উপজেলার কান্দ্রা গুচ্ছ গ্রামের খলিলুর রহমান (৭০) প্রতিবেশী ১২ বছরের এক কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় এলাকায় দুগ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা-চাচাসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। অপরদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন। ভুক্তভোগী কিশোরীকে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি রাখা হয়েছে।
রাজশাহীর পুঠিয়ায় কান্দ্রা গুচ্ছ গ্রামে গত ২৪ জানুয়ারি খলিলুর রহমান (৭০) প্রতিবেশী ১২ বছরের এক কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এই ঘটনায় দোষীকে আটক ও ফাঁসির দাবিতে প্রতিবাদ মিছিল ও মানববন্ধন করেন গ্রামবাসীরা।
আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় গ্রামবাসীদের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি পুঠিয়া রাজবাড়ি থেকে শুরু হয়ে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের পুঠিয়া উপজেলা পরিষদের সামনে গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণকারী গ্রামবাসীরা পুঠিয়া উপজেলা পরিষদের সামনে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা মানববন্ধন করেন। মানববন্ধন শেষে এ ঘটনার বিচারের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়।
মানববন্ধনে জাকিরুল ইসলাম নামে একজন বলেন, ‘একজন জনপ্রতিনিধি ধর্ষণে অভিযুক্ত খলিলুর রহমানকে মদদ দিচ্ছেন। ওই জনপ্রতিনিধির সরাসরি ইন্ধন থাকায় পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করছেন না। যার কারণে ঘটনার ৬ দিন পেরিয়ে গেলেও থানা-পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। তাই আজ ইউএনও বরাবর আরেকটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কিশোরীর মা ও মামলার বাদী বলেন, ‘আমার মেয়েটি সহজ সরল। তাকে ধর্ষণ করা হলো। এই ঘটনার বিচার চাওয়াতে ধর্ষণে অভিযুক্ত খলিলুর রহমানের পরিবারের লোকজন আমার স্বামী ও দেবরকে মারধর করেছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করায় আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। একটি প্রভাবশালী মহল অভিযুক্তকে রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন দপ্তরে তদবির করছেন। যার কারণে আমরা সঠিক বিচার পাব বলে মনে হচ্ছে না।’
জরিনা বেগম নামে একজন বলেন, ‘ভুক্তভোগীর পরিবারটি খুবই অসহায়। একটি প্রভাবশালী মহল ধর্ষণের ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। সেই সঙ্গে একটি চক্র বিষয়টি গোপনে মীমাংসা করার জন্য ওই পরিবারকে চাপও দিচ্ছে। এই কারণে গ্রামবাসীরা ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আর ঘটনার সঠিক বিচারের দাবি নিয়ে গ্রামবাসী রাস্তায় নেমেছেন। আমরা ধর্ষণে জড়িত খলিলকে আটক ও তাঁর ফাঁসি দাবি করছি। এ ছাড়া তাকে সহযোগিতাকারীদেরও শাস্তি দাবি করছি।
এ ব্যাপারে থানার ওসি সোহরাওয়ার্দী হোসেন বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনায় ওই কিশোরীর মা তিনজনের নামে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় এখনো কেউ আটক হয়নি। আর আমরা অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা করছি।’
দোষীর শাস্তির দাবিতে প্রতিবাদ মিছিল ও মানববন্ধনের বিষয়ে জানতে চাইলে থানার ওসি সোহরাওয়ার্দী বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই।
এদিকে গ্রামবাসীদের লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল হাই মো. আনাছ বলেন, আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গণ স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে আইনগত ভাবে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৪ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পুঠিয়া উপজেলার কান্দ্রা গুচ্ছ গ্রামের খলিলুর রহমান (৭০) প্রতিবেশী ১২ বছরের এক কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় এলাকায় দুগ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা-চাচাসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। অপরদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন। ভুক্তভোগী কিশোরীকে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি রাখা হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে জনবলসংকটে ধুঁকছে নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা। চার ভাগের এক ভাগ কর্মচারী দিয়ে চলছে কার্যক্রম। জনবলের অভাবে পড়ে আছে দেশের বৃহত্তম এ রেলওয়ে কারখানার ১৫৩ কোটি টাকা ব্যয়ে আমদানি করা মেশিনারিজ।
১ ঘণ্টা আগেকক্সবাজার সাগরপারের সুগন্ধা পয়েন্টে হোটেল-মোটেল জোনের ২০০ কোটি টাকা মূল্যের ২ একর ৩০ শতক খাসজমি দখল করে শতাধিক দোকান নির্মাণ করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, জাল কাগজ বানিয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র ৫ আগস্ট পরবর্তী প্রশাসনিক শিথিলতার সুযোগে হোটেল-মোটেল জোনের বাতিল করা প্লটের এই জমি দখল করেছে।
২ ঘণ্টা আগেসাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি আত্মহত্যা করেননি, তাঁরা খুন হয়েছেন। এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয় দুজন। প্রথমে সাগর ও পরে রুনিকে ছুরিকাঘাত করা হয়। তবে ডিএনএ রিপোর্টে অস্পষ্টতা থাকায় হত্যাকারীদের শনাক্ত করা এখনো সম্ভব হয়নি।
৫ ঘণ্টা আগেবরগুনার বিষখালী, বলেশ্বর ও পায়রা নদীতে নির্বিচারে মারা পড়ছে ইলিশের পোনা বা জাটকা। নিষিদ্ধ বাঁধা, গোপ, বেহেন্দি ও কারেন্ট জালে এগুলো শিকার করা হচ্ছে। দেড়-দুই ইঞ্চি লম্বা এসব মাছকে এলাকার হাট-বাজারে ‘চাপিলা’ বলে বিক্রি করছেন জেলেরা। সেই সঙ্গে শুঁটকি বানানো হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে