
স্বামী কারাগারে বন্দী। সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন একমাত্র ছেলে। এমন পরিস্থিতিতে স্বামীকে সন্তানের মুখ দেখানোর জন্য আকুতি জানান স্ত্রী। মানবিক কারণে এতে সাড়া দিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।
আজ রোববার (৩ মে) দুপুরে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের এই বন্দী শেষবারের মতো সন্তানের মুখ দেখার সুযোগ পেয়েছেন। সন্তানের নিথর দেহ ছুঁয়ে দেখে চোখের পানি ফেলেছেন।
এই বন্দীর নাম দুলাল মিয়া। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হয়ে ২০২০ সাল থেকে তিনি রাজশাহী কারাগারে রয়েছেন। তিনি কারাগারে থাকায় সংসার চালাতেন একমাত্র ছেলে মো. আব্দুল্লাহ (২৩)। সেই ছেলে গতকাল শনিবার এক সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে আব্দুল্লাহ মারা যান।
রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আল মামুন জানান, কয়েদি দুলালের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে। রাজশাহীর হাসপাতালে ছেলে আব্দুল্লাহর মৃত্যুর পর পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তাঁরা জানান, মরদেহ বাড়ি নেওয়ার আগে তাঁরা কারাফটকে আনতে চান। দুলালকে শেষবারের মতো সন্তানের মুখ দেখানোর জন্য তাঁরা অনুরোধ জানান।
এরপর তাৎক্ষণিকভাবে আল মামুন বিষয়টি কারা মহাপরিদর্শককে (আইজি প্রিজন্স) জানান। তাঁর মৌখিক নির্দেশনায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়। স্বজনেরা অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ কারাফটকে আনলে কয়েদি দুলালকে দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়। প্রায় ১০ মিনিট তিনি সন্তানের মরদেহের পাশে থাকেন।
কারাফটকের সেই দৃশ্য ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। ছেলের নিথর দেহ দেখে নিজেকে সামলে রাখতে পারেননি দুলাল। অঝোরে কাঁদতে থাকেন তিনি। উপস্থিত কারারক্ষী ও স্বজনদের অনেকেই এই মর্মস্পর্শী দৃশ্য দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। পরে আব্দুল্লাহর মরদেহ গ্রামে নেওয়া হয়।

এসআই মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে স্থানীয় মুসল্লিরা লতা ইউনিয়নের খালপাড়ে বিরিঞ্চী পদ মণ্ডলের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁর মরদেহ শনাক্ত করে।
১৭ মিনিট আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে একটি মিনি ট্রাকের সঙ্গে আরেকটি বড় ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে মিনি ট্রাকটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে মিনি ট্রাকের চালক আবু নাঈম খান ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
৩১ মিনিট আগে
খুলনায় দিনমজুর মো. ডালিম গাজী হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মামলার একমাত্র অভিযুক্ত জয়নাল আবেদীন গাইন (৩৫)। মাত্র ২০০ টাকা ধারের বিরোধকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার দুপুরে উপজেলার বীর রামপুর গফাকুড়ি মোড়ে ফুলকুড়ি দাখিল মাদ্রাসার সুপার হাফেজ মাওলানা ইউনুস আলী বিপুল পরিমাণ সরকারি পাঠ্যবই একটি পিকআপে তুলে দেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তাঁরা গাড়িটি আটক করেন।
১ ঘণ্টা আগে