
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় আম কুড়াতে গেলে দুই শিশুকে পিটিয়ে আহত করেছেন আমগাছের মালিক। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার দশমিনা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলো কাউনিয়া গ্রামের মনির মোল্লার ছেলে ও দশমিনা পাইলট স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. আশিক (১০) এবং জুলাশ মোল্লার ছেলে ও দশমিনা পাবলিক স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী জুবায়ের( ৮)। অভিযুক্ত মো. ইমাম মোল্লা (৫৫) একই গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল বিকেলে আশিক ও জুবায়ের প্রতিদিনের মতো খেলাধুলা করতে বের হয়েছিল। ইমাম মোল্লার আমগাছের নিচ দিয়ে যাওয়ার সময় আম পড়ে থাকতে দেখে দুই শিক্ষার্থী আম কুড়ায়। এটি দেখতে পেয়ে ইমাম মোল্লা তাদের দুজনকে আটকে বেদম মারধর করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। পরে দুই শিক্ষার্থী অজ্ঞান হয়ে পড়লে এলাকার লোকজন আহত আশিক ও জুবায়েরকে অটোরিকশাযোগে দশমিনা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। আশিকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে-ই-বাংলা হাসপাতালে পাঠান।
আহত আশিক বলে, ‘গাছের নিচে পড়ে থাকতে দেখে আম কুড়াতে গিয়েছিলাম। আমি গাছ থেকে আম পাড়িনি। ইমাম কাকা আমাকে আম কুড়াতে দেখে লাঠি নিয়ে পিটায় ও বুকে লাথি মারে। আমি অসুস্থ হয়ে পড়লে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে।’
আশিকের বাবা মনির হোসেন বলেন,‘সামান্য আমের জন্য একজন ৫৫ বছরের মানুষ এভাবে শিশুদের মারধর করতে পারে, এটা ভাবতেই পারছি না। আমার ছেলেকে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল যাচ্ছি। আমার ছেলে বাঁচলে সব হবে।’
অভিযুক্ত ইমাম মোল্লা বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ মিথ্যা। আমি কোনো বাচ্চাকে মারধর করিনি। ওরা আমার আমগাছ থেকে আম পাড়ছিল। ধাওয়া দিলে দৌড়ে চলে যায়।’
দশমিনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘটনাটি জানার পর হাসপাতালে পুলিশ পাঠিয়েছি। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মাভাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সাগর আহমেদ বলেন, ছাত্রশিবিরের এক নেতার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন ও ভ্রূণ হত্যার মতো গুরুতর অভিযোগ থাকলেও সেগুলো আড়াল করার উদ্দেশ্যে অপহরণের গল্প প্রচার করা হয়েছে।
১০ মিনিট আগে
এসআই মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে স্থানীয় মুসল্লিরা লতা ইউনিয়নের খালপাড়ে বিরিঞ্চী পদ মণ্ডলের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁর মরদেহ শনাক্ত করে।
৪২ মিনিট আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে একটি মিনি ট্রাকের সঙ্গে আরেকটি বড় ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে মিনি ট্রাকটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে মিনি ট্রাকের চালক আবু নাঈম খান ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
১ ঘণ্টা আগে
খুলনায় দিনমজুর মো. ডালিম গাজী হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মামলার একমাত্র অভিযুক্ত জয়নাল আবেদীন গাইন (৩৫)। মাত্র ২০০ টাকা ধারের বিরোধকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে