Ajker Patrika

পাবিপ্রবিতে উপাচার্য নেই ১৫ দিন, প্রশাসনে স্থবিরতা

পাবনা প্রতিনিধি
পাবিপ্রবিতে উপাচার্য নেই ১৫ দিন, প্রশাসনে স্থবিরতা
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্রুত উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে গতকাল ক্যাম্পাসে মানববন্ধন করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা। ছবি: আজকের পত্রিকা

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবিপ্রবি) উপাচার্য শূন্য রয়েছে ১৫ দিন ধরে। এতে প্রশাসনিক কার্যক্রমে দেখা দিয়েছে নানা সংকট, নেমে এসেছে স্থবিরতা। উপাচার্যের (ভিসি) স্বাক্ষরের জন্য আটকে আছে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বেতন। এমন পরিস্থিতিতে নিজস্ব ক্যাম্পাস থেকে দ্রুত উপাচার্য নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে।

শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা গতকাল রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মানববন্ধন থেকে এই দাবি জানান। মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যান মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘২০০৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৬ জন ভিসি চলে গেছেন। যাঁরা এসেছিলেন তাঁরা সবাই অন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসেছিলেন। যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে ভিসিই আসেন না কেন, তিনি চেষ্টা করেন তাঁর বিভাগের ও তাঁর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অধিক পরিমাণে শিক্ষক নিয়োগের। কিন্তু আজ পর্যন্ত আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী বিদেশে গিয়ে শিক্ষকতা করলেও নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতে পারেননি। কারণ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজ পর্যন্ত কোনো ভিসি নিয়োগ হয়নি।’

অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মীর খালেদ ইকবাল চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় এখন আর ছোট বলা যাবে না। এখানে আমাদের গ্রেড-১, গ্রেড-২, গ্রেড-৩ প্রফেসর আছেন। এখন প্রায় ৩০ জনের অধিক প্রফেসর আছেন, যাঁরা ভিসি হওয়ার যোগ্য। অন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেসব প্রফেসর এখানে ভিসি, প্রো-ভিসি, ট্রেজারার হিসেবে আসছেন তাঁরাও কিন্তু এই গ্রেড-১, গ্রেড-২, গ্রেড-৩ থেকে আসছেন। তাহলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভিসি নিয়োগ করতে সমস্যা কোথায়? বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ থেকেই যদি ভিসি নিয়োগ করা হয়, তাহলে সব ধরনের সমস্যা সহজেই নিরসন করা সহজ হবে।’

লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স ফ্যাকাল্টির ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘১৫ মার্চ থেকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি শূন্য হয়ে আছে। একাডেমিক, প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে গেছে। পরীক্ষার ফল প্রকাশ, সার্টিফিকেট উত্তোলন করতে ভিসির স্বাক্ষর লাগবে। আমাদের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীর বেতন আটকে আছে ভিসির স্বাক্ষরের জন্য। আমরা চাই সরকার অতি সত্বর আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভিসি নিয়োগ দিয়ে এই সমস্যা থেকে উত্তরণ ঘটাবে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত