
পাবনার ঈশ্বরদীতে বিদেশি পিস্তল, ৪ রাউন্ড গুলি, ম্যাগাজিন ও নম্বরবিহীন মোটরসাইকেলসহ দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে শহরের নারিচা সড়ক থেকে তাঁদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন ঈশ্বরদী পৌর এলাকার ইসলামপুর ভূতেরগাড়ি মহল্লার মো. আকরাম হোসেনের ছেলে শাহান হোসেন (২৩) এবং একই মহল্লার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মোহাম্মদ রিয়াদ হোসেন (২১)।
শুক্রবার দুপুরে ঈশ্বরদী শহর আমবাগান পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আফজাল হোসেন জানান, ১৫ আগস্ট ঘিরে শহরে পুলিশের তল্লাশি অভিযান জোরদার করা হয়। অভিযান চলাকালে রাত দেড়টার দিকে পৌর এলাকার নারিচা শাওন চা কোম্পানির ৫০ গজ দক্ষিণে সড়কে চেকপোস্ট (তল্লাশি চৌকি) থেকে সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে একটি লোডিং বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও ৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এ সময় তাঁদের ব্যবহৃত রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেলটিও জব্দ করা হয়।
আফজাল হোসেন আরও জানান, আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসায় তাঁরা নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী বলে জানিয়েছেন। পরে দুজনকে অস্ত্র আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধ অস্ত্রের উৎস ও তাঁদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে