
নোয়াখালীর হাতিয়ার নিঝুমদ্বীপে জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে যুবদল। রোববার সকালে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা নিঝুমদ্বীপের বিভিন্ন ওয়ার্ডে শুকনো খাবার বিতরণ করেন। নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আশরাফ উদ্দিনের সহযোগিতায় শনিবার থেকে ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে প্রায় ৫০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।
আশরাফ উদ্দিন জানান, শনিবার আদর্শগ্রাম, মোল্লাগ্রাম, মদিনাগ্রাম, মুন্সিগ্রাম ও বান্দাখালীসহ একাধিক গ্রামে একযোগে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রথম দিনে প্রায় ৩০০ পরিবারের ঘরে ঘরে গিয়ে যুবদলের কর্মীরা এসব খাবার পৌঁছে দেন। পূর্বে প্রস্তুত কোনো তালিকা ছাড়াই সরাসরি ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে এ সহায়তা দেওয়া হয়।
প্রতিটি প্যাকেটে ছিল এক কেজি মুড়ি, এক কেজি চিড়া, চনাচুর, বিস্কুট এবং দুটি করে খাবারের স্যালাইন।
তিনি আরও বলেন, “হাতিয়ার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা নিঝুমদ্বীপ। এখানকার অনেক মানুষ এখনো পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। অনেকের ঘরে রান্নার জন্য আগুন জ্বালানোর ব্যবস্থাও নেই। কেউ কেউ বাজারেও যেতে পারছেন না। কেন্দ্রীয় যুবদলের নির্দেশে আমরা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছি। এখনও পর্যন্ত নিঝুমদ্বীপে সরকারি উদ্যোগে কোনো ত্রাণ বিতরণ শুরু হয়নি।”

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে