
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে নাশকতা চেষ্টার অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ছয় নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি মামুনুর রশিদ, পৌর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি খোকন মিয়া, ইউনিয়নের ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাবুল মিয়া, আওয়ামী লীগের কর্মী লাভলু মিয়া, শামীম মিয়া, শাহ আলম। গতকাল বুধবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এ তথ্য নিশ্চিত করে দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটেছে। তবে এখন পর্যন্ত দুর্গাপুরে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আমাদের পুলিশ নজরদারি করছে, আমরা তৎপর আছি।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে