নড়াইলের লোহাগড়ায় বসতঘর থেকে মো. ইমরুল ভূঁইয়া (৩৮) নামের এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে পৌরসভার কুন্দশী এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তিনি কুন্দশী গ্রামের মৃত লুৎফর রহমান ভূঁইয়ার ছেলে।
লোহাগড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইমরুল ওই বাড়িতে একাই বসবাস করতেন। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে ইমরুলের তেমন একটা সম্পর্ক ছিল না। তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে এক বছর ধরে মামলা চলে আসছিল। বুধবার দুপুরের দিকে ওই বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবেশী ঘরের ভেতরে গিয়ে অর্ধগলিত অবস্থায় ইমরুলের মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখেন। পরে পুলিশে খবর দিলে লোহাগড়া থানা-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
লোহাগড়া থানার ওসি (তদন্ত) অজিত কুমার রায় আরও বলেন, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ব্যাপারে থানায় ইউডি মামলা হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে