
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ময়মনসিংহে প্রতীকী ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিসের আয়োজনে শুক্রবার সকালে নগরীর টাউনহল জুলাই চত্বরে এ প্রতিযোগিতা হয়। এতে অংশ নেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যসহ কয়েক শতাধিক প্রতিযোগী।
সকাল ৮টায় তিন ধাপে শুরু হয় ম্যারাথন। প্রথম ধাপে ছিলেন আহত জুলাই যোদ্ধারা, পরে হয় দৌঁড়বিদদের প্রতিযোগিতা। শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম।

ম্যারাথনে অংশ নেয়া প্রতিযোগি গোকুল সূত্রধর মানিক বলেন, শরীরকে সুস্থ এবং ফিট রাখতে সবার নিয়মিত হাঁটা এবং দৌড়ানো প্রয়োজন। এতে মাদকসহ বিভিন্ন অপসংস্কৃতি থেকেও মুক্তি মিলবে যুবসমাজের।
জেলা প্রশাসক বলেন, “আহত জুলাই যোদ্ধা ও তাদের পরিবারে মানসিক অবসাদ রয়েছে। তাই এমন আয়োজনের মাধ্যমে জুলাইয়ের যে চেতনা আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে তা গতি পাবে।'

বিজয়ীদের মধ্যে ছিল উচ্ছ্বাস। অংশগ্রহণকারীরা বলেন, ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এমন আয়োজন হওয়া উচিত।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে