মানিকগঞ্জে শিবালয়ে ফসলি জমিতে নিষিদ্ধ পপি চাষের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ দিকে গাছগুলোকে কেটে জব্দ কার হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
আজ রোববার উপজেলার নতুন পয়লা গ্রামে ভুট্টাখেতের মাঝে ৬ শতাংশ জমিতে থেকে এসব গাছের সন্ধান পায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গ্রেপ্তার হওয়া চাষির নাম—নূরুল ইসলাম (৪২)। তিনি উপজেলার তেওতা ইউনিয়নের পুরান পয়লা এলাকার জাবেদ খানের ছেলে।
ডিবি পুলিশ এবং স্থানীয়রা জানায়, নতুন পয়লা গ্রামে ভুট্টাখেতের মাঝে নিজের প্রায় ৬ শতক জমিতে পপি গাছের ১০ হাজার চারা রোপণ করেন নূরুল ইসলাম। পপি গাছগুলোতে এরই মধ্যে ফুল ও ফল ধরেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে ওই গ্রামে অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে নূরুল ইসলামকে আটক করে ডিবি পুলিশ। এরপর রোববার সকাল থেকে শুরু করে গাছগুলো কেটে জব্দ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) আশিকুর রহমান বলেন, ‘পপি গাছ থেকে মূলত মাদকদ্রব্য তৈরি করা যায়। এর ফল যখন পরিপক্ব হয়, তখন ব্লেড দিয়ে ফলের গায়ে গভীর আঁচড় দেওয়া হয়। ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা পর ফল থেকে যে রস বের হয়, সেটা নিষিদ্ধ মাদক আফিমের কাঁচামাল।’
তিনি আরও বলেন, ‘পপি চাষি নূরুল ইসলামকে আসামি করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে শিবালয় থানায় মামলা হয়েছে।’
এ বিষয়ে জেলা ডিবির পরিদর্শক আবুল কালাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘লোকচক্ষু আড়াল করতে গ্রেপ্তারকৃত আসামি ভুট্টাখেতের মাঝে নিষিদ্ধ পপি চাষ শুরু করেছিলেন। আজ রোববার বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামিকে পাঠানো হয়। পরে আদালতের বিচারকের নির্দেশে তাঁকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে