
মাগুরার শালিখায় বিলে মাছ ধরতে গিয়ে ডিঙি নৌকা ডুবে চাচা-ভাতিজার মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার উপজেলার বড় থৈপাড়া গ্রামের পাটভাড়ার বিল থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতরা হলেন থৈপাড়া গ্রামের কালিপদ বিশ্বাসের ছেলে কনক বিশ্বাস (৪০) এবং কুমারেশ বিশ্বাসের ছেলে কমলেশ বিশ্বাস (৩৫)। তাঁরা সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা।
দুই লাশ উদ্ধারের বিষয় আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন মাগুরা ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. আলী সাজ্জাদ। তিনি বলেন, গতকাল বুধবার বিকেলে পাটভাড়ার বিলে ডিঙি নৌকা নিয়ে মাছ ধরতে যান কনক বিশ্বাস ও কমলেশ বিশ্বাস। বিকেল ৪টার দিকে ঝোড়ো বাতাস ও বৃষ্টির সময় ডিঙি নৌকা ডুবে যায়।
আলী সাজ্জাদ বলেন, ‘গতকাল রাতে স্থানীয়রা মাগুরা ফায়ার সার্ভিসকে জানালে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি পরিস্থিতি অনুকূলে নেই। বিলে বেশি পানি থাকায় আমরা খুলনা ডুবুরি দলকে খবর দিই। তারা আজ সকালে উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে কনক ও কুমারেশের লাশ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে