
মাগুরার মহম্মদপুরে নারী শ্রমিককে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে হারুন (৪৫) নামের এক হোটেলমালিকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আজ শনিবার সন্ধ্যায় থানায় ধর্ষণ মামলা করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। এর আগে গতকাল শুক্রবার বিকেলে উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ অফিস এলাকার একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, সংবাদ পেয়ে শনিবার বিকেলে পুলিশ ওই বাড়িতে গিয়ে ঘটনার তদন্ত করেন। ভুক্তভোগীর হাতে ও শরীরের একাধিক স্থানে ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাঁকে মাগুরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, জুলাই মাসের ৫ তারিখে মহম্মদপুর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে হারুনের হোটেলে কাজ শুরু করেন ভুক্তভোগী। পাওনা টাকা (২ দিনের ৬০০ টাকা) চাইতে গেলে বাড়িতে আসতে বলেন হোটেলমালিক। গতকাল শুক্রবার বিকেলে ভুক্তভোগী তাঁর ভাড়া বাসায় গেলে ধর্ষণ করেন।
মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান জানান, এ বিষয়ে মহম্মদপুর থানায় একটি মামলা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামিকে আটকের চেষ্টা চলছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে