
লক্ষ্মীপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুজন নিহত এবং একজন আহত হয়েছেন। লক্ষ্মীপুর-রামগতি সড়কের পিয়ারাপুর এলাকায় ব্যাটারিচালিত ভ্যানে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় নজরুল ইসলাম (৫০) এবং লক্ষ্মীপুর-ঢাকা মহাসড়কের কফিল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে ট্রাকের চাপায় অজ্ঞাত এক পথচারী (৪০) নিহত হয়েছেন। আজ রোববার সকালে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ নিহতদের লাশ উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে ভ্যানচালক নজরুল ইসলাম তাঁর ব্যাটারিচালিত ভ্যান নিয়ে ভবানীগঞ্জের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় তাঁর। তখন আরও একজন গুরুতর আহত হন। তাঁকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অন্যদিকে একই সময়ে লক্ষ্মীপুর-ঢাকা মহাসড়কের কফিল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে ট্রাকচাপায় অজ্ঞাত এক পথচারী নিহত হন। রাস্তা পারাপারের সময় ট্রাকের নিচে চাপা পড়েন তিনি।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মোন্নাফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুজন নিহত ও একজন আহত হয়েছেন। নিহত একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। দুটি ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে