
কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া শ্রমিক দলের নেতা আবেদুর রহমান আন্নুর (৫৩) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ফরিদপুর জেলার পদ্মা নদীসংলগ্ন ডিক্রির চর ইউনিয়নের কবিরপুর এলাকা থেকে নৌ পুলিশ অর্ধগলিত লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা আন্নুর পরিচয় নিশ্চিত করেছেন। আজ মঙ্গলবার সকালে ফরিদপুর অঞ্চলের কোতোয়ালি নৌ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক নাসিম আহম্মেদ আজকের পত্রিকাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মৃত আবেদুর রহমান আন্নু কুষ্টিয়া জেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম সম্পাদক। ১৬ নভেম্বর সকাল ৯টার দিকে তিনি সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর এলাকার পদ্মা নদী থেকে নিখোঁজ হন। এ ব্যাপারে পরদিন আন্নুর স্ত্রী জিয়াসমিন আরা রুমা কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। ফায়ার সার্ভিস ও খুলনা থেকে আসা ডুবুরি দল টানা দুই দিন উদ্ধার অভিযান চালিয়েও আন্নুকে খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়।
সাধারণ ডায়েরি সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন সকাল ৯টার দিকে আন্নু পদ্মা নদীর হাটশ হরিপুর মোহনায় মাছ কেনার জন্য যান। বেলা ১১টার দিকে চর ভবানীপুর এলাকায় যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবোঝাই বাল্কহেড ট্রলারের সঙ্গে তাঁর ডিঙি নৌকার ধাক্কা লাগে। এতে আন্নু ও নৌকার মাঝি পানিতে পড়ে যান। স্থানীয় জেলেরা নৌকার মাঝিকে উদ্ধার করলেও আন্নুর আর খোঁজ পাওয়া যায়নি।
মৃত ব্যক্তির ভাতিজা অর্ণব হাসান বলেন, ‘রাতেই লাশের ছবি দেখে আমরা নিশ্চিত হয়েছি, উদ্ধার হওয়া লাশ আমার চাচার।’
নৌ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক নাসিম আহম্মেদ বলেন, পরিবারের সদস্যরা ফাঁড়িতে আছেন। তারাই লাশ শনাক্ত করেছেন। লাশের শরীরে আঘাতের তেমন কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। কিছু আইনগত প্রক্রিয়া আছে। সেগুলো শেষ করে লাশ হস্তান্তর করা হবে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন বলেন, নৌ পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে। আন্নু নিখোঁজের ঘটনায় তাঁর স্ত্রী থানায় জিডি করেছিলেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে