
টাকা আত্মসাতের অভিযোগ থাকায় ছেলেকে না পেয়ে বৃদ্ধ ভ্যানচালক বাবাকে ২৬ ঘণ্টার বেশি থানায় আটকে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার শোমসপুর ইউনিয়নের ধুসুন্ড গ্রামের বাজার থেকে ফজলু প্রামাণিক (৫৬) নামের ওই বৃদ্ধ ভ্যানচালককে থানায় নিয়ে আসেন উপপরিদর্শক (এসআই) তুষার।
আজ সোমবার রাত ১০টায় এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত থানার গারদখানায় ছিলেন তিনি।
বৃদ্ধ ভ্যানচালকের স্ত্রী তাসলিমা খাতুনের অভিযোগ, মালয়েশিয়াপ্রবাসী আব্দুল গাফফার টোকন নামের এক ব্যক্তির নূর এন্টারপ্রাইজ নামের একটি হুন্ডি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে তাঁর ছেলে সজল প্রামাণিক ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতেন।
সম্প্রতি বকেয়া বেতন দাবি করার পর প্রথমে কয়েক লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তোলেন ওই প্রবাসী। এ টাকার জন্য মাঠের জমি লিখে দেওয়ার চাপ দেন। দুই মাস আগে তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে থানায় ১৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেন প্রবাসীর বাবা ইসলাম সরদার।
এরপর অভিযোগ মিটিয়ে ফেলার জন্য খোকসা থানা-পুলিশ তাঁর ছেলে সজলের ওপর চাপ দিতে থাকে। একপর্যায়ে ছেলে সজল আত্মগোপনে চলে গেলে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় পুলিশের এসআই তুষার ফজলুকে বাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে পুলিশের গাড়িতে তুলে আনেন। এর পর থেকে ফজলু প্রামাণিককে থানার গারদে আটকে রাখা হয়েছে।
রাত ৯টা ৫৭ মিনিটে ভাই আশরাফ প্রামাণিক বলেন, ‘আমরা এখন থানা চত্বরে বসে আছি। শরীফ নামে স্থানীয় একজন বিষয়টি নিয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলছেন।’
এদিকে বৃদ্ধকে আটক করে খোকসা থানায় নিয়ে আসার কথা স্বীকার করে এসআই তুষার উল্টো অভিযোগ করে বলেন, বৃদ্ধের বিরুদ্ধে গোপন অভিযোগ আছে। তাই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আটকে রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে থানায় অভিযোগকারী মালয়েশিয়াপ্রবাসী আব্দুল গাফফার টোকনের বাবা ইসলাম সরদারের সঙ্গে কথা বলার জন্য তাঁর বাড়িতে গেলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি।
রাত সাড়ে ৯টায় খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মইনুল ইসলাম বলেন, ওই ব্যক্তির ছেলের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। তিনি পলাতক। তাই যাচাই-বাছাই করার জন্য তাঁর বাবাকে থানায় আনা হয়েছে। ছেলেকে না পেয়ে ২৪ ঘণ্টার বেশি একজন বৃদ্ধ বাবাকে থানায় আটকে রাখতে পারেন কি না, জানতে চাইলে ওসি বলেন, ‘রাত ৯টার দিকে আনা হয়েছে। যাচাই-বাছাই করে সত্যতা পেলে মামলা হবে। না পেলে ছেড়ে দেওয়া হবে। এর কিছুক্ষণ পর তিনি আবার মোবাইল ফোনে কিছুক্ষণ পরেই ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানান।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে