কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে জানালা দিয়ে ঘরে ঢুকে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঈদুল ফিতরের দিন গতকাল সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে আজ মঙ্গলবার কটিয়াদী মডেল থানায় মামলা করেছেন। এতে অভিযুক্ত যুবকের নাম হাকিম মিয়া (২৫)। তিনি উপজেলার টানচারিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
কটিয়াদী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুল্লাহ খান আজকের পত্রিকাকে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ওই নারীর স্বামী একটি বাজারের নৈশপ্রহরী। তিনি গতকাল রাতে কর্মস্থলে যাওয়ার পর তাঁর স্ত্রী ছোট সন্তানকে নিয়ে ঘরে ঘুমিয়েছিলেন। গভীর রাতে হাকিম জানালা দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে ওই নারীকে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করেন।
কটিয়াদী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুল্লাহ বলেন, ‘মঙ্গলবার ভিকটিম নিজেই হাকিম মিয়ার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগ পেয়ে এ বিষয়ে মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্তকে ধরতে অভিযান চলমান রয়েছে। ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সিভিল সার্জন অফিসে পাঠানো হয়েছে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে