
বিস্ফোরক আইনে মামলায় সাজাপ্রাপ্ত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) দুই শিক্ষার্থী জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। আজ সোমবার সন্ধ্যায় তাঁদের খুলনা কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।
এর আগে গত ২৪ জুন উচ্চ আদালতের আদেশে তাঁরা জামিন পান। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর মুক্তির দাবিতে দুজন কারাগারে অনশন করেন।
শিক্ষার্থীরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ডিসিপ্লিনের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নুর মোহাম্মদ অনিক ও পরিসংখ্যান ডিসিপ্লিনের একই ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. মোজাহিদুল ইসলাম।
বিষয়টি নিশ্চিত করে খুলনা জেলা কারাগারের জেলার মনির হুসাইন জানান, ২৪ জুন হাইকোর্টের আদেশে তাঁরা জামিনপ্রাপ্ত হন। আজ আদেশের কাগজ খুলনা কারাগারে পৌঁছার পর সন্ধ্যায় তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়। এ সময় খুবির কয়েকজন ছাত্র তাঁদের নিয়ে যান।
জেলার আরও জানান, তাঁদের বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা ছিল। এর মধ্যে খুলনার সোনাডাঙ্গা থানায় বিস্ফোরক আইনে মামলায় দুজনকে ২০ বছরের সাজা দেন আদালত। পরে তাঁরা ওই মামলায় জামিন পান। পাঁচটির মধ্যে চারটিতে তাঁরা জামিনে ছিলেন। বাকি ছিল ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানায় হওয়া সন্ত্রাসবিরোধী মামলা। ওই মামলার কাগজ আজ হাতে পাওয়ামাত্র তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে