জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হঠাৎ খুলনায় মুসলিম লীগ সরব হয়ে উঠেছে। প্রাচীন সংগঠনটি খুলনার তিনটি আসনে প্রার্থী দেওয়ার উদ্যোগ নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা নির্বাচনে যায়নি। সংগঠনের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে সমর্থন দিচ্ছে মুসলিম লীগ।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ জনপদের এই বড় শহর একসময় মুসলিম লীগের ঘাঁটি ছিল। দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খান এ সবুর অপ্রতিদ্বন্দ্বী নেতা ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর সমর্থকেরা বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়েন। ১৯৭৯ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখাতে পারেনি। ক্ষুদ্র সাফল্যের মধ্যে ১৯৮৪ সালে দলের মনোনয়নে সর্বশেষ পৌরসভার নির্বাচনে শেখ সিরাজুল ইসলাম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। একপর্যায়ে তিনি জাপায় যোগ দিলে দলটি আরও দুর্বল হয়ে পড়ে। এরশাদের সামরিক শাসনের মধ্যে দলের সাংগঠনিক কাঠামো বেশ জোরদার ছিল। পরে উপজেলা পর্যায়ে দলের অস্তিত্ব হারায়।
দলের সর্বশেষ সম্মেলনে অধ্যাপক ফকির রেজাউদ্দিন, শেখ বাবর আলী, শেখ জাহিদুল ইসলাম ও আক্তার জাহান রুকু নেতৃত্বে আসেন। এ কমিটির মেয়াদও শেষ। দলের নেতা খান এ সবুরের মৃত্যুবার্ষিকী, ২১ ফেব্রুয়ারি ও ইফতার মাহফিল ছাড়া দৃশ্যমান কোনো কর্মসূচি নেই এই সংগঠনটির।
কেন্দ্র অগোছালো থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে সাংগঠনিক ভিত দুর্বল হয়ে পড়েছে। তারপরও খুলনা-২ আসনে দল থেকে আক্তার জাহান রুকু, খুলনা-৩ আসনে অধ্যাপক ফকির রেজাউদ্দিন ও খুলনা-৪ আসনে শেখ বাবর আলীকে প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন দেয়। সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণে এবং জেলা সভাপতির অসুস্থতার জন্য কারও মনোনয়ন জমা পড়েনি।
জানতে চাইলে মুসলিম লীগের খুলনা নগর সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘জেলার সার্বিক কল্যাণে এবং গণতন্ত্রকে সুসংহত করার জন্য আমরা বিএনপিকে সমর্থন দেব।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
৪৩ মিনিট আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে