খুলনায় করোনা ও ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। আজ শনিবার খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে আরও একজনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে হাসপাতালে মোট পাঁচজনের করোনা শনাক্ত হলো।
অপর দিকে বর্তমানে খুমেক হাসপাতালে ১১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন আটজন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ফোকাল পারসন ও হাসপাতালের আরএমও খান আহমেদ ইশতিয়াক আজকের পত্রিকাকে জানান, হাসপাতালে বর্তমানে করোনা রোগী ভর্তি আছেন চারজন। এর মধ্যে তিনজন নারী ও একজন পুরুষ।
অর্থাৎ এ পর্যন্ত খুলনায় শনাক্ত হওয়া ও ভর্তি রোগীদের মধ্যে বেশির ভাগই নারী। সবশেষ আজ শনিবার র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টে যে একজনের করোনা শনাক্ত হয় (১৮)তিনি খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার বাসিন্দা।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে