খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় সাইদুল ইসলাম (১৭) নামের এক কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ রোববার দুপুরের দিকে মাটিরাঙ্গা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড মাতব্বর পাড়া থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
সাইদুল গাইবান্ধার ঘোড়াঘাট এলাকার মৃত জমির উদ্দিনের ছেলে। তিনি দীর্ঘ দিন ধরে সপরিবারে মাটিরাঙ্গায় ভাড়া থাকতেন।
সাইদুলের মামি গাজি নগরের বাসিন্দা মোরশেদা বেগম বলেন, তিন ভাই বোনের মধ্যে সাইদুল সবার ছোট। ২ বছর ধরে মাতব্বরপাড়া এরশাদ মিয়ার বাড়িতে মা ও ভাই বোনসহ ভাড়া থাকত। আজ সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হওয়ায় তার বড় ভাই তাকে ডাকতে গেলে গলায় গামছা দিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে পুলিশকে খবর দিলে মরদেহ উদ্ধার করে।
মাটিরাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে