
ভারতে গিয়ে নিহত ঝিনাইদহের এমপি আনোয়ারুল আজিম আনারের কন্যা মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন বাবাকে নিয়ে আবেগঘন একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। গতকাল বুধবার রাত ১০টায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বাবাকে নিয়ে আবেগঘন ওই স্ট্যাটাস দেন।
ডরিন লিখেছেন, ‘আব্বু, তোমার অনেক কষ্ট হয়েছিল তাই না? তুমি তো আমাকে নিয়ে যেতে চেয়েছিলে, আমিই যাইনি। ভিসা ছিল না আমার। আমি তোমার কষ্টের ভাগ নিতে পারলাম না। তুমি কত কষ্ট পেয়েছ, এটা ভাবলে আমার বেঁচে থাকার ইচ্ছা শেষ। আমি তোমার এত আঘাত, ব্যথা সহ্য করতে পারি না। আল্লাহ কি নেই? এত কষ্ট দিয়ে কোনো মানুষ মানুষকে মারতে পারে বলে আমার জানা ছিল না। আমি বিচার চাই, আমি বিচার চাই। আমি ওদের লাশ দেখতে চাই নির্মমভাবে।’
স্ট্যাটাসটি দেওয়ার পর মুহূর্তের মধ্যে হাজার হাজার লাইক ও দুই শতাধিক কমেন্টস পড়ে।
এদের মধ্যে আমির হামজা নামের এক ব্যক্তি লিখেছেন, এতটা নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে, ভাবতেও ভয় লাগছে।
এস সাদিয়া সাবরিন সারা নামের আরেকজন লিখেছেন, ‘এই মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়ার মতো না। যারা নির্মমভাবে হত্যা করেছে, তাদেরও এই দুনিয়ায় বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই। আমাদের একটাই দাবি, যারা নির্মমভাবে হত্যা করেছে, তাদেরও গণসম্মুখে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হোক।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে