Ajker Patrika

ঝিনাইদহে ফিলিং স্টেশনগুলোয় ক্রেতাদের লম্বা লাইন, চাপ সামলাতে কাজ করছে পুলিশ

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি 
ঝিনাইদহে ফিলিং স্টেশনগুলোয় ক্রেতাদের লম্বা লাইন, চাপ সামলাতে কাজ করছে পুলিশ
ফিলিং স্টেশনে ভিড়। ছবি: আজকের পত্রিকা

ঈদের ছুটির পর ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরের ফিলিং স্টেশনগুলোয় সোমবার বিকেল থেকে পেট্রল, অকটেন দেওয়া শুরু করেছে। এই খবরে দূরদূরান্ত থেকে জ্বালানি নিতে লম্বা লাইন দিয়েছেন মোটরসাইকেল আরোহীরা। এ ছাড়া অনেকে এসেছেন বোতল ও কনটেইনার নিয়ে জ্বালানি নিতে। এতে করে বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয়েছে ফিলিং স্টেশনগুলোয়। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশকে কাজ করতে দেখা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কোটচাঁদপুরে তিনটি জ্বালানি বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে কোটচাঁদপুর দুধসরা সড়কে রয়েছে টোটন ফিলিং স্টেশন, কোটচাঁদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বেলী ফিলিং স্টেশন আর কোটচাঁদপুর কলেজ বাসস্ট্যান্ডে রয়েছে কোটচাঁদপুর ফিলিং স্টেশন।

ঈদের আগের দিন (শুক্রবার রাত) পর্যন্ত জ্বালানি দেওয়ার পর ফিলিং স্টেশনগুলো বন্ধ করে দেয়। ট্রাক দিয়ে ঘিরে রাখতে দেখা যায় ফিলিং স্টেশনগুলো।

ঈদের দুই দিন পর সোমবার বিকেল থেকে কোটচাঁদপুরের ফিলিং স্টেশনগুলোয় জ্বালানি দেওয়া শুরু করে। এ খবর মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। তেল নিতে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে দেখা যায় মোটরসাইকেল আরোহীদের। কাউকে আবার বোতল ও কনটেইনার হাতে নিয়ে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। এতে বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয়েছে ফিলিং স্টেশনগুলোয়।

তবে ওই সব ফিলিং স্টেশনগুলোর মধ্যে শুধু টোটন ফিলিং স্টেশনে গিয়ে তেল বিক্রি করতে দেখা যায়। আর বেশি ফিলিং স্টেশনে মানুষের ভিড় থাকলেও মেশিনে ত্রুটির কারণে তেল দেওয়া বন্ধ ছিল।

অন্যদিকে কোটচাঁদপুর ফিলিং স্টেশনের সামনে তেল নিতে কিছু মানুষের জটলা দেখা যায়। ডিপো থেকে তেল না আসায় এখানে মানুষের ভিড় কম ছিল বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

কোটচাঁদপুর ফিলিং স্টেশনের মালিক খন্দকার মোজাম্মেল হক দবি বলেন, ‘আগে মানুষ গ্রামের দোকানগুলোয় তেল পেতেন। এ কারণে ফিলিং স্টেশনগুলোয় তেমন চাপ পড়ত না। এখন দোকানগুলোয় তেল না পাওয়ায় সব মানুষ ফিলিং স্টেশনমুখী হয়ে গেছে। এ জন্য বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। এ ছাড়া ডিপো থেকে আমাদের তেল দিচ্ছে গত বছরে মার্চ মাসের কেনা তেল অনুপাতে। আমি গত বছর মার্চ মাসে দেড় লাখ লিটার তেল ডিপো থেকে কিনলে, সেই অনুযায়ী তেল দিচ্ছে। এতে করে আমাদের অনেক ঘাটতি থাকছে তেলের।’

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ফিলিং স্টেশনগুলোয় পুলিশ কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন কোটচাঁদপুর থানা-পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) খন্দকার এনায়েত আলী। তিনি বলেন, ‘এর আগে ফিলিং স্টেশনগুলোয় ছোটখাটো ঘটনা ঘটেছে। এ কারণে আমাদের পক্ষ থেকে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত