
দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য কার্যালয়ে ঝুড়িভর্তি ‘মুলা’ উপহার দিয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আজ শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে উপাচার্য কার্যালয়ের কর্মকর্তা পার্থ সারথী দাসের হাতে প্রতীকী এই মুলা তুলে দেন তাঁরা। এ সময় উপাচার্য ড. আব্দুল মজিদ কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলে সিসি ক্যামেরার ঘাটতির কারণে নিয়মিত চুরির ঘটনা ঘটছে, অথচ প্রশাসনের কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই। প্রায় ছয় মাস ধরে রাস্তা সংস্কারের নামে বারবার কাজ শুরু ও বন্ধ করা হলেও এখনো তা সম্পূর্ণ হয়নি। বাকি অংশ সংস্কারে প্রশাসন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
একই সঙ্গে মেডিকেল সেন্টারে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হয়নি। বন্ধের দিনগুলোতে সেবা বন্ধ থাকে এবং চিকিৎসাকে হলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট করে শিক্ষার্থীদের হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।
এ ছাড়া দেড় বছর দায়িত্বে থেকেও প্রশাসন ক্যাম্পাস সম্প্রসারণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। ক্যাম্পাসের প্রধান ফটক থেকে হল ও একাডেমিক ভবনসমূহে পর্যাপ্ত আলোকসজ্জার ব্যবস্থাও নেই।
জানতে চাইলে সেখানে উপস্থিত শিক্ষার্থী মো. হাবিবুর রহমান ইমরান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উপাচার্য স্যারের যোগদানের দেড় বছর পূর্ণ হলেও শিক্ষার্থীদের মৌলিক দাবি বাস্তবায়নের বদলে তিনি শুধু আশ্বাস দিয়ে গেছেন। ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। আবাসিক হলে চুরি, বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশ, চিকিৎসাসেবায় বিলম্ব এবং সংস্কারের নামে হয়রানি চলছে।’
আরেক শিক্ষার্থী সামিউল আলিম সামি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলো বারবার তুলে ধরলেও উপাচার্য শুধু আশ্বাস দিয়েছেন, বাস্তবে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি। তাই দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় প্রতিবাদ জানাতে আমরা প্রতীকীভাবে মুলা উপহার দিয়েছি।’
এই বিষয়ে কথা বলতে উপাচার্য ড. আব্দুল মজিদের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে সাড়া না দেওয়ায় তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
৪৩ মিনিট আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে