
ফেনীর ফুলগাজীতে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল মায়ের। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় ফুলগাজী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের নাম জাহানারা আক্তার (৩৪)। তিনি পশুররাম উপজেলার অনন্তপুর গ্রামের আব্দুল কাদেরের স্ত্রী। জাহানারা ছেলে আলিফ উদ্দিনকে (১২) নিয়ে উপজেলা সদরে ভাড়া বাসায় থাকতেন।
স্থানীয়রা জানান, গতকাল সন্ধ্যার দিকে মা ও ছেলে ফুলগাজী বাজারে কেনাকাটা করতে যাচ্ছিলেন। সড়কে তাঁর ছেলে দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় দ্রুতগামী ট্রাক আসতে দেখে জাহানারা ছেলেকে টেনে সড়কের এক পাশে পাঠানোর সময় নিজেই ট্রাকচাপায় নিহত হন। স্থানীয়রা ট্রাকটি জব্দ করে চালককে পুলিশে সোপর্দ করেন।
ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ফেনী সদর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ট্রাকচালক জসিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ট্রাকটি থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।
পরশুরাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহাদাত হোসাইন খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে