আলমগীর হোসেন, সোনাগাজী(ফেনী)

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিন দিন ধরে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে রয়েছে। এতে হাসপাতালের রোগীসহ চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভোগান্তিতে পড়েছেন। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে হাসপাতালে পানি ওঠানোর একমাত্র পাম্পটি বিকল যাওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী ও তাদের স্বজনেরা আজকের পত্রিকাকে তাদের ভোগান্তির কথা তুলে ধরে। তারা জানায়, পানির অভাবে হাসপাতালে বাথরুমগুলো ব্যবহার করা যাচ্ছে না। গোসল করা যাচ্ছে না, এমনকি খাবার পানির সংকট দেখা দিয়েছে।
পৌর বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমার সন্তানের সমস্যা দেখা দিলে তাকে জরুরি বিভাগে নিই। তখন তাঁরা বলেন, পানি নেই। যদি নিজেরা পানি ব্যবহারের ব্যবস্থা করতে পারেন, তবে ভর্তি করাতে পারেন। বাধ্য হয়ে ভর্তি করিয়েছি। দেখেছি, ফায়ার সার্ভিসের লোকজন কিছু পানি দিয়েছেন। কিন্তু তা পর্যাপ্ত না হওয়ায় আবার পানি বন্ধ হয়ে যায়।’
আব্দুল জলিল নামের রোগীর এক স্বজন বলেন, ‘তিন দিন ধরে পানির সংকট। এখানে রোগী এনে নিজেরাও রোগী হয়ে পড়লাম।’
কাজীরহাট থেকে আসা আমেনা বেগম নামের এক রোগী বলেন, ‘এখানে চিকিৎসার জন্য আসার পর থেকে টয়লেটের ট্যাপে পানি নেই। পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় এখানে সেবা নিতে এসে বিপাকে আছি। এ যেন মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা।’
এ ব্যাপারে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘হাসপাতালে পানি সরবরাহের পুরো প্রক্রিয়া নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে সমস্যা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আমি বিভিন্ন সহযোগী মাধ্যমকে জানিয়েছি। এখনো এর কোনো সমাধান হয়নি। আমাদের যারা স্টাফ রয়েছে, তাদের বলেছি কিছু পানি বালতি করে যেন দেওয়া হয়। আগামীকালের মধ্যে একটা সমাধান হবে আশা করি।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজিয়া হোসেন বলেন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিন দিন ধরে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে রয়েছে। এতে হাসপাতালের রোগীসহ চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভোগান্তিতে পড়েছেন। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে হাসপাতালে পানি ওঠানোর একমাত্র পাম্পটি বিকল যাওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী ও তাদের স্বজনেরা আজকের পত্রিকাকে তাদের ভোগান্তির কথা তুলে ধরে। তারা জানায়, পানির অভাবে হাসপাতালে বাথরুমগুলো ব্যবহার করা যাচ্ছে না। গোসল করা যাচ্ছে না, এমনকি খাবার পানির সংকট দেখা দিয়েছে।
পৌর বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমার সন্তানের সমস্যা দেখা দিলে তাকে জরুরি বিভাগে নিই। তখন তাঁরা বলেন, পানি নেই। যদি নিজেরা পানি ব্যবহারের ব্যবস্থা করতে পারেন, তবে ভর্তি করাতে পারেন। বাধ্য হয়ে ভর্তি করিয়েছি। দেখেছি, ফায়ার সার্ভিসের লোকজন কিছু পানি দিয়েছেন। কিন্তু তা পর্যাপ্ত না হওয়ায় আবার পানি বন্ধ হয়ে যায়।’
আব্দুল জলিল নামের রোগীর এক স্বজন বলেন, ‘তিন দিন ধরে পানির সংকট। এখানে রোগী এনে নিজেরাও রোগী হয়ে পড়লাম।’
কাজীরহাট থেকে আসা আমেনা বেগম নামের এক রোগী বলেন, ‘এখানে চিকিৎসার জন্য আসার পর থেকে টয়লেটের ট্যাপে পানি নেই। পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় এখানে সেবা নিতে এসে বিপাকে আছি। এ যেন মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা।’
এ ব্যাপারে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘হাসপাতালে পানি সরবরাহের পুরো প্রক্রিয়া নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে সমস্যা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আমি বিভিন্ন সহযোগী মাধ্যমকে জানিয়েছি। এখনো এর কোনো সমাধান হয়নি। আমাদের যারা স্টাফ রয়েছে, তাদের বলেছি কিছু পানি বালতি করে যেন দেওয়া হয়। আগামীকালের মধ্যে একটা সমাধান হবে আশা করি।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজিয়া হোসেন বলেন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে