
জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ফেনী-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু। গতকাল শনিবার ফেনীর দাগনভূঞা থানায় মিন্টুর পক্ষে তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট মোহাম্মদ শামছুদ্দিন এ জিডি করেন।
ফেনীর জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (সোনাগাজী সার্কেল) সৈয়দ মুমিদ রায়হান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জিডিতে মিন্টু উল্লেখ করেন, ৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টার দিকে দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের সিলোনিয়া বাজারে জামায়াতের নির্বাচনী সভায় দলটির নেতা মেজবাহ উদ্দিন সাঈদ ফেনী-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী মিন্টুকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শফিকুর রহমান ক্ষমতায় গেলে আপনি কোথায় পালিয়ে যাবেন? শেখ হাসিনা ভাত রেখে পালিয়ে গেল, আপনাকে কী রেখে পালাতে হবে, তা আমি বলতে চাই না’—এমন দম্ভোক্তি করা হয়।
জিডিতে দাবি করা হয়, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মাধ্যমে প্রতিনিয়ত হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছেন মেজবাহসহ জামায়াতের নেতারা। এতে করে সম্মানহানি ও নিজের জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে মনে করেন মিন্টু। এসবের প্রতিকার চেয়ে থানায় এই সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
এ বিষয়ে জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আজকের পত্রিকাকে বলেন, বিএনপির প্রার্থী তাঁর প্রতিনিধির মাধ্যমে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। বিষয়টি পুলিশ দেখছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসআই মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে স্থানীয় মুসল্লিরা লতা ইউনিয়নের খালপাড়ে বিরিঞ্চী পদ মণ্ডলের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁর মরদেহ শনাক্ত করে।
৩০ মিনিট আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে একটি মিনি ট্রাকের সঙ্গে আরেকটি বড় ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে মিনি ট্রাকটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে মিনি ট্রাকের চালক আবু নাঈম খান ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
৪৩ মিনিট আগে
খুলনায় দিনমজুর মো. ডালিম গাজী হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মামলার একমাত্র অভিযুক্ত জয়নাল আবেদীন গাইন (৩৫)। মাত্র ২০০ টাকা ধারের বিরোধকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার দুপুরে উপজেলার বীর রামপুর গফাকুড়ি মোড়ে ফুলকুড়ি দাখিল মাদ্রাসার সুপার হাফেজ মাওলানা ইউনুস আলী বিপুল পরিমাণ সরকারি পাঠ্যবই একটি পিকআপে তুলে দেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তাঁরা গাড়িটি আটক করেন।
১ ঘণ্টা আগে