
ফরিদপুর শহরে বোমাসদৃশ একটি বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে শহরের আলীপুর আলীমুজ্জামান সেতু থেকে বস্তুটি উদ্ধার করে সেনাবাহিনীর বিশেষ দল। তবে উদ্ধারের ৯ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও বস্তুটি শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয়ের কাজ শুরু হয়নি। কখন এ কাজ শুরু হবে, সে বিষয়েও কিছু নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
আজ সকাল ৯টায় শহরের আলীপুর আলীমুজ্জামান সেতুর ওপর একটি নীল রঙের ব্যাগের ভেতর বোমাসদৃশ বস্তু পাওয়ার খবর পেয়ে ছুটে যায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের সদস্যরা। পরে দুপুর ১২টার দিকে বস্তুটি উদ্ধার করে ওই সেতুসংলগ্ন কুমার নদের বিসর্জন ঘাটে বালু দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। নিরাপত্তার কারণে সেখানে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করে রাখা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আজমীর হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘ব্যাগের ভেতরে বোমাসদৃশ লাল রঙের একটি বস্তু আছে এবং বস্তুটি ইলেকট্রিক তার দিয়ে প্যাঁচানো রয়েছে। বস্তুটি উদ্ধার করে আপাতত বিসর্জন ঘাটে রাখা হয়েছে। এটি আসলেই বোমা কি না এখনো আমরা নিশ্চিত হতে পারিনি।’
সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সরেজমিন দেখা যায়, শহরের প্রধান সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত আলীমুজ্জামান সেতুর গোয়ালচামট অংশের রেলিংয়ের একপাশে গাছের ডালপালার ওপরে নীল রঙের ব্যাগটি রাখা। সেতুটি শহরের মূল অংশের সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম পথ।
বস্তুটি সরিয়ে নেওয়ার আগে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এলাকাটি ঘিরে রাখে সেনাবাহিনী। এ সময় হাজারো উৎসুক জনতা আশপাশে ভিড় করেন। সেনাবাহিনীর বিশেষ দলের এক সদস্য ব্যাগের ভেতরে রাখা তার দিয়ে প্যাঁচানো লাল রঙের একটি বস্তু বের করেন এবং কিছু সময় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। পরে প্রায় ৩০০ মিটার দূরে সেতুটির নিচে বালুর ভেতরে ঢেকে রাখেন।
আজ রাত ৯টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বস্তুটি শনাক্ত করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে রাত সাড়ে ৮টার দিকে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) শামছুল আজম আজকের পত্রিকাকে বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের বম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের বিশেষজ্ঞ সদস্যরা এসে পৌঁছান এবং তাঁরা ঘটনাস্থল পরিদর্শনও করেছেন। তাঁরা উপযুক্ত সময়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। কখন নাগাদ কার্যক্রম শুরু করবেন সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন বলে জানান।
তবে পুলিশের একটি সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল রোববার সকাল ১০টার পরে বস্তুটি শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয়করণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
৪৩ মিনিট আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে