
রাজবাড়ীর পাংশায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কবরের জন্য নির্ধারিত স্থানে সীমানা বেড়ায় রাতের আঁধারে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের তারাপুর কবরস্থানে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফজরে মসজিদে মুসল্লিরা নামাজ পড়তে এলে গোরস্তানে আগুন দেখতে পান। পড়ে মসজিদের মাইকে আগুন লাগার ঘটনা বলতে থাকলে স্থানীয়রা এসে নেভান। তাঁদের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে কেউ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কবরের জন্য নির্ধারিত স্থানে আগুন দিয়েছে।
তারাপুর জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন ও ওই কবরস্থানের কেয়ারটেকার শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ফজরের আজান দেওয়ার জন্য যাচ্ছিলাম, তখন কবরস্থানে আগুন দেখতে পাই। মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিলে স্থানীয় লোকজন ও হেফজখানার ছাত্ররা এসে আগুন নিভিয়েছে। এটা কেউ ধরিয়ে দিয়েছে। এখানে কারেন্ট নেই বা পথের পাশে না যে ভুলবশত হবে। এটা পরিকল্পিত ও নাশকতামূলক।’
বাহাদুরপুর ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা (অব.) শিক্ষক মো. সমশের আলী বলেন, ‘এটা স্বাধীনতাবিরোধীদের কাজ। যাঁরা মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করে এটা তাঁরা করেছে। আমরা এমন ঘটনার জন্য কি দেশ স্বাধীন করেছিলাম। এ ঘটনার সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কামনা করছি।’
তারাপুর ঈদগাহ ও গোরস্তানের সেক্রেটারি নুরুল আলম বলেন, ‘এটা সত্যিই ন্যক্কারজনক ঘটনা। আমরা কমিটির পক্ষ থেকে এ ঘটনায় থানায় জিডি করব। প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।’
এ বিষয়ে পাংশা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল গণি বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ধারণা করা হচ্ছে, কেউ পরিকল্পিতভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের কবরের জন্য নির্ধারিত স্থানের সীমানা বেড়ায় আগুন দিয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। পাশাপাশি ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টাও চলছে।’
পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রিফাতুল হক বলেন, পুড়ে যাওয়া সীমানা বেড়া দ্রুত সংস্কার করা হবে। সেই সঙ্গে যারা আগুন লাগানোর সঙ্গে জড়িত তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে