ঢাকার সাভারে নানার বাসায় বেড়াতে এসে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে শিশু মাইশা আক্তার (১০) নিহত হয়েছে। আজ বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে আশুলিয়া থানাধীন কুরগাঁও এলাকায় ঢাকা কো-অপারেটিভ সোসাইটির ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মাইশা আক্তার (১০) ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার শিবপুরের মো. মাইনুদ্দিনের মেয়ে। খালার সঙ্গে সাভারের আশুলিয়ায় গ্যাস বেলুন বিক্রেতা নানা মান্নানের কাছে বেড়াতে এসেছিল সে।
পুলিশ ও নিহত শিশুর স্বজনেরা জানায়, গত সোমবার ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার শিবপুর থেকে খালার সঙ্গে শিশু মাইশা সাভারে গ্যাস বেলুন বিক্রেতা নানা মান্নানের কাছে বেড়াতে আসে। মান্নান আশুলিয়ার কুরগাঁও এলাকায় ঢাকা কো-অপারেটিভ সোসাইটির ভেতরে একটি বাড়িতে কেয়ারটেকার হিসেবে থাকেন। এ ছাড়া বাড়ির একটি অংশে বেলুনে গ্যাস ভরে পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করেন। আজ বিকেলে বেলুনে গ্যাস ভরে সিলিন্ডারটি ঠান্ডা করতে সেখানেই রেখে দেন মান্নান। একপর্যায়ে মাইশা ওই সিলিন্ডারের কাছে গেলে সিলিন্ডারটি বিস্ফোরিত হয়ে মাইশা মারা যায়। খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত শিশুর খালা সীমা আক্তার বলেন, ‘আমি রান্না করতেছিলাম। মাইশা বাইরে খেলতেছিল। সেখানে কেউ ছিল না। বাবা গ্যাস ভইরা বোতল (সিলিন্ডার) ঠান্ডা কইরা বাইরে চইলা গেছে। এরপর শব্দ হইছে।’
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুবেল হাওলাদার বলেন, গ্যাস বেলুনের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে শিশুটি নিহত হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে