ঢাকা: সম্প্রতি ভারত থেকে আসা দুইজন কোভিড আক্রান্ত হলেও তারা ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের শিকার কি–না তা এখনও নিশ্চিত নয়। বর্তমানে তাদের শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক। তারা এখন ডিএনসিসি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দুজনকেই আলাদা রাখা হয়েছে।
রোববার (১৬ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএনসিসি হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিন।
ডিএনসিসি হাসপাতালের পরিচালক বলেন, তাদের এখনও অক্সিজেন সাপোর্ট লাগছে না। তাদের নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সের জন্য পাঠানো হয়েছে। ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পরবর্তী তথ্য জানানো হবে।
এর আগে ঈদের দিন শুক্রবার বিভিন্ন গণমাধ্যমে হাসপাতালটির পরিচালকেরর উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়, ভারতফেরত দুইজনের শরীরে করোনাভাইরাসের ভারতীয় ধরন শনাক্ত হয়েছে। পরদিন পরিচালক সংবাদটি সঠিক নয় বলে জানান।
আজ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তাদের শরীরে করোনাভাইরাসের ভারতীয় ধরন শনাক্তের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। আইইডিসিআরে তাদের নমুনা পাঠানো হয়েছে। তারা রিপোর্ট দিলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সেটির ব্যাপারে বিস্তারিত জানাবে।
হাসপাতালে বর্তমান ভর্তি রোগীর চিত্র তুলে ধরে পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসির উদ্দিন বলেন, হাসপাতালে এক হাজার শয্যা ও প্যাথলজি প্রস্তুত থাকলেও ভর্তি রোগীর সংখ্যা এখন অনেক কম। ৫৭ জন রোগী ভর্তি রয়েছে, এর মধ্যে ৪০ জন আছেন আইসিইউতে। অসচেতনভাবে ঈদ যাত্রার পরে রোগীবাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসির উদ্দিন।

ক্ষতিগ্রস্ত বেইলি সেতু সরিয়ে নতুন সেতু নির্মাণের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয় চার বছর আগে। কিন্তু জমি অধিগ্রহণের জটিলতায় দুই বছর ধরে সেতুর নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি সেতু দিয়েই চলাচল করছে যানবাহন।
২ মিনিট আগে
‘আমার শিশুসন্তানেরা অসুস্থ হয়ে গেছে, তাদের চিকিৎসা দরকার। ঠিকমতো খাবারও খাওয়াতে পারছি না। ওদেরকে কীভাবে বাঁচাই! আমরা বাঁচতে চাই।’ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের শূন্যরেখার কাছে ৬ মাস আর ৪ বছর বয়সী দুই শিশুসন্তান নিয়ে এভাবেই আকুতি জানান সুমি আক্তার। চোখে অসহায়ত্ব, মুখে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের ছাপ।
৫ মিনিট আগে
ঘুষ, দালাল চক্র, সিট-বাণিজ্য, নিম্নমানের খাবার আর গরু-ছাগল-বিড়ালের অবাধ বিচরণ—সব মিলিয়ে চরম অব্যবস্থাপনার চিত্র ফুটে উঠেছে দেশের অন্যতম বৃহৎ চিকিৎসাকেন্দ্র ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে।
৮ মিনিট আগে
নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শফিকুল ইসলামের একটি বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে বিএনপির নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘ধরবেন, ধরে ধরে আমাদের বলবেন।’
২ ঘণ্টা আগে