
টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন দুই ভাই ফিরোজ হায়দার খান ও দিপু হায়দার খান।
গত বৃহস্পতিবার ফিরোজ হায়দার খান ও রোববার (২১ ডিসেম্বর) দিপু হায়দার খানের পক্ষে তাঁদের কর্মী-সমর্থকেরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। মির্জাপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শাহানাজ আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ফিরোজ হায়দার ও দিপু হায়দার উপজেলার গোড়াই নাজিরপাড়ার বাসিন্দা।
জানা গেছে, ফিরোজ হায়দার খান বাংলাদেশ ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য। অন্যদিকে দিপু হায়দার খান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল কেন্দ্রীয় সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক। তিনি মির্জাপুর আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী হয়ে প্রচার-প্রচারণায় ছিলেন। মনোনয়ন না পেলেও তিনি আজ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।
এ বিষয়ে ফিরোজ হায়দার খান বলেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা হলে তিনি আগামী সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক দিপু হায়দার খান বলেন, ‘দলের কাছে মনোনয়ন চেয়েছি। যেহেতু দলের মনোনয়ন এখনো চূড়ান্ত না।’ সে কারণে তিনি মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী বলে জানান।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে