রাজধানীর বনশ্রীতে তেলের লরির চাপায় ইমন আলী (২৬) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২১ আগষ্ট) বেলা পৌনে ২টার দিকে বনশ্রীর ফরাজি হাসপাতালের সামনের রাস্তায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে বেলা ৩টার দিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ত্রিমোহনী থেকে বন্ধু মো. হাবিবুর রহমানের মোটরসাইকেলে করে তেজগাঁও যাচ্ছিলেন ইমন আলী। হাবিবুর রহমান জানান, বনশ্রীর ফরাজি হাসপাতালের সামনে এলে একটি রিকশার সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুজনেই পড়ে যান। এ সময় একটি তেলের লরি চাপা দিলে গুরুতর আহত হন ইমন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করে ফরাজি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়। তবে চিকিৎসক পরীক্ষা করে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাবিব আরও বলেন, ইমনের বাড়ি রাজশাহী জেলার বাঘা উপজেলার খুদে বাউসিয়া গ্রামে। পরিবার নিয়ে ত্রিমোহনী এলাকায় থাকতেন। ইমন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। ঠিকাদারের মাধ্যমে নির্মাণ প্রকল্পের কাজ করতেন তিনি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বনশ্রী থেকে ওই যুবককে স্বজন ও বন্ধুরা হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে