
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানাতে ফুল নিয়ে আসা এক নারীকে পুলিশ বাধা দিয়েছে। পুলিশের বাধার পর উপস্থিত উত্তেজিত জনতা ধাওয়া দিলে তিনি দ্রুত একটি রিকশায় চড়ে সরে পড়েন। ওই নারী নিজেকে আওয়ামী লীগের কর্মী বলে দাবি করেছেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আয়েশার সঙ্গে আরও অন্তত ১৫ জন শোক জানাতে এসেছিলেন। প্রথমে তাঁকে সামনে আনা হয়। তাঁকে বাধা দিলে পেছনের বাকিরা সরে যান। এর আগের দিন বিকেল থেকে সন্দেহভাজন সাতজনকে ধানমন্ডি প্রবেশপথ থেকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁরা ফেসবুকে লাইভ করছিলেন। কেউ কেউ আওয়ামী লীগের নামে স্লোগান দিচ্ছিলেন।
১৫ আগস্ট উপলক্ষে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ, র্যাব, আনসার ও যৌথ বাহিনী প্রবেশপথে ব্যারিকেড বসিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং নিষিদ্ধ ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের কেউ যাতে প্রবেশ করতে না পারে, সে ব্যাপারে কঠোর অবস্থান নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
পুলিশ জানিয়েছে, সম্ভাব্য নাশকতা ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে তারা।
ধানমন্ডি জোনের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার জিসানুল হক বলেন, ‘কেউ যাতে কোনো ধরনের উচ্ছৃঙ্খলতা বা নাশকতা করতে না পারে, সেই লক্ষ্যে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। পর্যাপ্তসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে