
পিলখানা হত্যাকাণ্ডে ষড়যন্ত্রের শিকার দাবি করে ক্ষতিগ্রস্ত সব বিডিআর সদস্যকে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানানো হয়েছে।
আজ বুধবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিডিআর কল্যাণ পরিষদের ব্যানারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যরা। এ সময় মামলার মিথ্যা সাক্ষীর সাক্ষ্যের ভিত্তিতে দণ্ডিত নিরপরাধ জেলবন্দী বিডিআর সদস্যদের মুক্তির দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা জানান, ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডে ষড়যন্ত্রের শিকার চাকরিচ্যুত ও ক্ষতিগ্রস্ত সব বিডিআর সদস্যকে চাকরিতে পূর্ণ ক্ষতিপূরণসহ পুনর্বহাল করতে হবে। একই সঙ্গে মিথ্যা সাক্ষীর সাক্ষ্যের ভিত্তিতে দণ্ডিত নিরপরাধ জেলবন্দী বিডিআর সদস্যদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। যারা মিথ্যা সাক্ষী দিয়েছে তারা বহাল আছে, যারা দেয়নি তাদের চাকরিচ্যুত করেছে।
বিডিআর কল্যাণ পরিষদের সহসাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা বিডিআর হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। ঐতিহ্যবাহী এই বাহিনীর সুনাম নষ্ট করেছেন তিনি। কারা কারা নাটের গুরু, কারা কারা এই হত্যার সঙ্গে জড়িত—তাদের শাস্তি হোক। যারা নিরপরাধ জেলখানায় রয়েছে তাদের মুক্তির ব্যবস্থা এবং আমাদের চাকরিতে পুনর্বহাল করা হোক।
পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রেজাউল বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে ন্যায়বিচার চেয়ে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে গেছি। দ্রুত বিচার কার্যক্রম ও আমাদের চাকরি পুনর্বহালের দাবি জানাচ্ছি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আসা বিডিআর সদস্য মোহাম্মদ আলী খান বলেন, পিলখানায় পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ঘটনা ঘটেছে, যা প্রতিবেদনে এসেছে। কোনোভাবেই এটা বিদ্রোহ ছিল না, এটা ছিল পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। শক্তিশালী বিডিআরকে দুর্বল করতে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। আমাদের মিথ্যা মামলায় চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

এসআই মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে স্থানীয় মুসল্লিরা লতা ইউনিয়নের খালপাড়ে বিরিঞ্চী পদ মণ্ডলের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁর মরদেহ শনাক্ত করে।
২৩ মিনিট আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে একটি মিনি ট্রাকের সঙ্গে আরেকটি বড় ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে মিনি ট্রাকটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে মিনি ট্রাকের চালক আবু নাঈম খান ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
৩৭ মিনিট আগে
খুলনায় দিনমজুর মো. ডালিম গাজী হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মামলার একমাত্র অভিযুক্ত জয়নাল আবেদীন গাইন (৩৫)। মাত্র ২০০ টাকা ধারের বিরোধকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার দুপুরে উপজেলার বীর রামপুর গফাকুড়ি মোড়ে ফুলকুড়ি দাখিল মাদ্রাসার সুপার হাফেজ মাওলানা ইউনুস আলী বিপুল পরিমাণ সরকারি পাঠ্যবই একটি পিকআপে তুলে দেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তাঁরা গাড়িটি আটক করেন।
১ ঘণ্টা আগে