নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
বেশ কিছু দিন ধরে শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন জ্যোৎস্না। সমস্যার কথা শুনে স্থানীয় ফার্মেসির মালিক জিতেশ চন্দ্র গোপ তাঁকে ফার্মেসিতে যেতে বলেন। এরপর ফার্মেসিতে গেলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন ওই ভুক্তভোগী নারী। ধর্ষণের কথা জানিয়ে দেওয়ার কথা বললে জিতেশসহ তাঁর সহযোগীরা জ্যোৎস্নাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন বলে জানিয়েছে সিআইডি।
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের একটি ফার্মেসির ভেতরে প্রবাসীর স্ত্রী শাহনাজ পারভীন জ্যোৎস্না (৩৫) নামে এক নারীর ছয় টুকরা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
গতকাল শুক্রবার রাজধানীর ভাটারা নুরেরচালা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জিতেশকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জগন্নাথপুর পৌর এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনজিৎ ও অসীত গোপকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ শনিবার মালিবাগ সিআইডির সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিআইডির এলআইসি শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) মুক্তা ধর।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন জিতেশ চন্দ্র গোপ (৩০), অনজিৎ চন্দ্র গোপ (৩৮) ও অসীত চন্দ্র গোপ (৩৬)।
মুক্তা ধর বলেন, ১৬ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর থানার ব্যারিস্টার আবদুল মতিন মার্কেটের অভি মেডিকেল হল নামের একটি ওষুধের দোকান থেকে শাহনাজ পারভীন জ্যোৎস্না নামের এক নারীর ছয় টুকরা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। জ্যোৎস্না জগন্নাথপুর থানার নারকেলতলা গ্রামের সৌদিপ্রবাসী ছরকু মিয়ার স্ত্রী। এ ঘটনায় জ্যোৎস্নার ভাই হেলাল উদ্দিন বাদী হয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি জগন্নাথপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
এসএসপি মুক্তা ধর বলেন, ওষুধ কেনার সুবাদে অভি মেডিকেল হলের মালিক জিতেশের সঙ্গে শাহনাজ পারভীন জ্যোৎস্নার সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। জ্যোৎস্না কিছু দিন ধরে গোপন শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। ১৬ ফেব্রুয়ারি জিতেশ জ্যোৎস্নার মায়ের প্রেশার মাপার জন্য তাঁদের বাড়িতে যান। তখন জ্যোৎস্না তাঁর গোপন সমস্যার কথা জিতেশকে জানালে তিনি তাঁকে ফার্মেসিতে যেতে বলেন।
ওই দিন বিকেলে জ্যোৎস্না জিতেশের দোকানে গেলে তাঁকে দোকানে কাস্টমার রয়েছে বলে অপেক্ষা করতে বলে সময় ক্ষেপণ করতে থাকেন। এদিকে রাত গভীর হলে জ্যোৎস্নার বাসায় যাওয়ার অস্থিরতা বেড়ে যায়। তখন ওই ফার্মেসির মধ্যে জ্যোৎস্নাকে একটি ঘুমের ওষুধ খেতে দেন জিতেশ। এতে জ্যোৎস্না ঘুমিয়ে পড়েন।
পরে জিতেশ ও তাঁর দুই সহযোগী অনজিৎ চন্দ্র গোপ ও অসীত গোপ তাঁকে ধর্ষণের পরিকল্পনা করেন। এরপর রাত গভীর হলে আশপাশের দোকান বন্ধ হয়ে যায়। তখন জিতেশসহ তাঁরা এনার্জি ড্রিংকস পান করে জ্যোৎস্নাকে জোরপূর্বক সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন।
ধর্ষণের বিষয়টি শাহনাজ তাঁর পরিবারকে জানিয়ে দেবে বললে জিতেশ ও তাঁর সহযোগীরা জ্যোৎস্নার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ও তাঁর মুখে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে ওই নারীর লাশ ছয় টুকরা করে মাছের ঘেরে ফেলে দেওয়ার পরিকল্পনা করে বলে জানান সিআইডির এই কর্মকর্তা।
জ্যোৎস্না ২০১৩ সাল থেকে পৌর শহরের নিজের বাসায় দুই ছেলে, এক মেয়ে, বৃদ্ধ মা ও ভাই-বোনদের নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন।
বেশ কিছু দিন ধরে শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন জ্যোৎস্না। সমস্যার কথা শুনে স্থানীয় ফার্মেসির মালিক জিতেশ চন্দ্র গোপ তাঁকে ফার্মেসিতে যেতে বলেন। এরপর ফার্মেসিতে গেলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন ওই ভুক্তভোগী নারী। ধর্ষণের কথা জানিয়ে দেওয়ার কথা বললে জিতেশসহ তাঁর সহযোগীরা জ্যোৎস্নাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন বলে জানিয়েছে সিআইডি।
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের একটি ফার্মেসির ভেতরে প্রবাসীর স্ত্রী শাহনাজ পারভীন জ্যোৎস্না (৩৫) নামে এক নারীর ছয় টুকরা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
গতকাল শুক্রবার রাজধানীর ভাটারা নুরেরচালা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জিতেশকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জগন্নাথপুর পৌর এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনজিৎ ও অসীত গোপকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ শনিবার মালিবাগ সিআইডির সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিআইডির এলআইসি শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) মুক্তা ধর।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন জিতেশ চন্দ্র গোপ (৩০), অনজিৎ চন্দ্র গোপ (৩৮) ও অসীত চন্দ্র গোপ (৩৬)।
মুক্তা ধর বলেন, ১৬ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর থানার ব্যারিস্টার আবদুল মতিন মার্কেটের অভি মেডিকেল হল নামের একটি ওষুধের দোকান থেকে শাহনাজ পারভীন জ্যোৎস্না নামের এক নারীর ছয় টুকরা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। জ্যোৎস্না জগন্নাথপুর থানার নারকেলতলা গ্রামের সৌদিপ্রবাসী ছরকু মিয়ার স্ত্রী। এ ঘটনায় জ্যোৎস্নার ভাই হেলাল উদ্দিন বাদী হয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি জগন্নাথপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
এসএসপি মুক্তা ধর বলেন, ওষুধ কেনার সুবাদে অভি মেডিকেল হলের মালিক জিতেশের সঙ্গে শাহনাজ পারভীন জ্যোৎস্নার সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। জ্যোৎস্না কিছু দিন ধরে গোপন শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। ১৬ ফেব্রুয়ারি জিতেশ জ্যোৎস্নার মায়ের প্রেশার মাপার জন্য তাঁদের বাড়িতে যান। তখন জ্যোৎস্না তাঁর গোপন সমস্যার কথা জিতেশকে জানালে তিনি তাঁকে ফার্মেসিতে যেতে বলেন।
ওই দিন বিকেলে জ্যোৎস্না জিতেশের দোকানে গেলে তাঁকে দোকানে কাস্টমার রয়েছে বলে অপেক্ষা করতে বলে সময় ক্ষেপণ করতে থাকেন। এদিকে রাত গভীর হলে জ্যোৎস্নার বাসায় যাওয়ার অস্থিরতা বেড়ে যায়। তখন ওই ফার্মেসির মধ্যে জ্যোৎস্নাকে একটি ঘুমের ওষুধ খেতে দেন জিতেশ। এতে জ্যোৎস্না ঘুমিয়ে পড়েন।
পরে জিতেশ ও তাঁর দুই সহযোগী অনজিৎ চন্দ্র গোপ ও অসীত গোপ তাঁকে ধর্ষণের পরিকল্পনা করেন। এরপর রাত গভীর হলে আশপাশের দোকান বন্ধ হয়ে যায়। তখন জিতেশসহ তাঁরা এনার্জি ড্রিংকস পান করে জ্যোৎস্নাকে জোরপূর্বক সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন।
ধর্ষণের বিষয়টি শাহনাজ তাঁর পরিবারকে জানিয়ে দেবে বললে জিতেশ ও তাঁর সহযোগীরা জ্যোৎস্নার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ও তাঁর মুখে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে ওই নারীর লাশ ছয় টুকরা করে মাছের ঘেরে ফেলে দেওয়ার পরিকল্পনা করে বলে জানান সিআইডির এই কর্মকর্তা।
জ্যোৎস্না ২০১৩ সাল থেকে পৌর শহরের নিজের বাসায় দুই ছেলে, এক মেয়ে, বৃদ্ধ মা ও ভাই-বোনদের নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন।
কুমিল্লা নগরীর কাটাবিল এলাকায় কুপিয়ে মহরম হোসেন নামের এক যুবককে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (৩০ আগস্ট) রাত পৌনে ৮টার দিকে কাটাবিল মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে। মহরম নগরীর মুরাদপুর এলাকার চারু মিয়ার ছেলে। বর্তমানে শ্বশুরবাড়ি কাটাবিল এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
৬ মিনিট আগেযশোরের মনিরামপুরে ছুরিকাঘাতে আশরাফুল ইসলাম (৫০) নামের এক আওয়ামী লীগ নেতা মারা গেছেন। শনিবার (৩০ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার রাজগঞ্জ বাজারে হবির চিড়ার মিলের সামনে একটি চা দোকানে এ ঘটনা ঘটে। হামলাকারী ১৮-২০ বছরের এক যুবক বলে জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগেনারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বিদ্যুতায়িত হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় ফতুল্লা থানার কুতুবপুর ইউনিয়নের শিয়াচরে এই ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগেপিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার জুনিয়া গ্রামে আসমা আক্তার (৪৫) নামে এক গৃহবধূকে দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ শনিবার সন্ধ্যায় ৭টার দিকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে