সাত বন্ধু চাঁদপুরের বড় স্টেশন ঘাট থেকে নৌকায় মেঘনায় ঘুরতে গিয়েছিলেন। কিছুদূর যাওয়ার পর নৌকার ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। এরপর নদীর স্রোতে ভেসে চাঁদপুরের মেঘনা নদীর বহরিয়া নামক স্থানে চলে যায় তাদের নৌকা।
ঢেউয়ের তোড়ে বিকল নৌকা তখন নদীতে নিয়ন্ত্রণহীন ভাসছে, এমন তথ্য জানিয়ে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় চাঁদপুর মেঘনা নদী থেকে জুয়েল রানা নামে একজন ভীত-সন্ত্রস্ত কলার ‘জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর-৯৯৯’ এ কল করে তাদের উদ্ধারে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান। খবর পেয়ে পুলিশ আটকে পড়া সাত ছাত্রকে উদ্ধার করে নিরাপদে তীরে নিয়ে আসে।
আজ রোববার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় জরুরি সেবা সদর দপ্তরের পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কলটি রিসিভ করেছিলেন কল টেকার কনস্টেবল আল-ইমরান। তিনি কলারকে আশ্বস্ত করে শান্ত হতে বলেন এবং চাঁদপুর নৌ-পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করে দ্রুত তাদের উদ্ধারের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানান। উদ্ধার সংশ্লিষ্ট নৌ-পুলিশ টিম ও কলারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছিলেন ৯৯৯ ডিসপাচার এসআই মো. মান্নান।’
তিনি আরও বলেন, ‘সংবাদ পেয়ে চাঁদপুর নৌ-পুলিশ থানার একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আটকে পড়া সাত ছাত্রকে উদ্ধার করে নিরাপদে তীরে নিয়ে আসে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে