
কুমিল্লার চান্দিনায় কচুরিপানায় ভরা কার্জন খাল পরিষ্কার করতে নামলেন সংসদ সদস্য ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত।
আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে চান্দিনা ও বরুড়া উপজেলার ওই সংযোগ খালটির চিলোড়া অংশ থেকে পরিষ্কার অভিযান শুরু করেন তিনি। এ সময় স্বেচ্ছাশ্রমের বিনিময়ে বহু নেতা-কর্মী খালে নেমে কচুরিপানা পরিষ্কার কাজে অংশ নেন। প্রাথমিকভাবে খালটির সাড়ে তিন কিলোমিটার এলাকা পরিষ্কার করা হবে বলে ডা. প্রাণ গোপাল জানান।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত নিজেই যখন খালে নেমে পরিষ্কার অভিযান শুরু করেন। তখন তাঁর সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে নোংরা পানির খালে নামেন এতবারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইউসুফ ও বাড়েরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আহসান হাবিব।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাবের মো. সোয়াইব, উপজেলা প্রকৌশলী মো. রাকিবুল ইসলাম প্রমুখ।
এমপির এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকার বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিরা বলেন, কার্জন খালটি একটি ঐতিহ্যবাহী খাল। এখনো এই খালটি অন্তত ৫০-৬০ ফুট প্রস্থ। বছরের শুকনো মৌসুম অতিক্রম করে গ্রীষ্মের খরতাপে যেখানে বেশির ভাগ জলাশয় শুকিয়ে গেছে, কিন্তু কার্জন খালে এখনো পাঁচ-সাত ফুট গভীরের পানি আছে। ওই খালে একসময় বড় বড় নৌকা চলত। খালের পানিতে দুই উপজেলার কয়েক গ্রামের কৃষক সেচ করে জমিতে ফসল ফলাত। কিন্তু খালটি সংস্কারে কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় কচুরিপানায় ভরপুর হয়ে আছে।
ফ্যাক্টরির বর্জ্য ফেলে পানি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে আছে। খালটি খনন করা থাক দূরের কথা পরিষ্কারে কেউ এগিয়ে আসেনি। এমপি প্রাণ গোপাল দত্ত নিজেই খাল পরিষ্কারে নেমে এলাকার মানুষকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।
সংসদ সদস্য ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষায় খালের বিকল্প নেই। এই খালের অনেক ঐতিহ্য রয়েছে। খালটি পরিষ্কার করে, আমার উপজেলার সীমানা পর্যন্ত খনন করে দুই পাশে বৃক্ষ রোপণ করার উদ্যোগ নিয়েছি। ফ্যাক্টরির বর্জ্য ফেলা বন্ধ করেছি। এই খালের একটি অংশে থাকবে নৌকা। এখানে এসে যাতে এলাকার মানুষ কিছুটা হলেও বিনোদন পায় সে ব্যবস্থা করব।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে