
ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় চুয়াডাঙ্গার দর্শনা চেকপোস্টে হত্যা মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। আজ সোমবার সকালে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযুক্ত শেখ তাইসুখ ইসলাম (২২) কুমিল্লা সদর উপজেলার মনোহরপুরের সোনালি জামে মসজিদ রোডের শেখ জহিরুল ইসলামের ছেলে।
দর্শনা ইমিগ্রেশন পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) তারেক মাহমুদ বলেন, আজ সকালে পাসপোর্ট-ভিসার মাধ্যমে ভারতে গমন করার জন্য দর্শনা ইমিগ্রেশনে আসেন শেখ তাইসুখ। এ সময় তাঁর ব্যক্তিগত তথ্য যাচাই-বাছাই করে দেখা যায়, তাঁর বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা রয়েছে। এরপর তাঁকে ভারতে যাওয়ার অনুমতি না দিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
এএসআই তারেক জানান, শেখ তাইসুখকে দর্শনা থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় জানা যায়নি।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে