
চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে ট্রাফিক পুলিশের চেকপোস্টে মোটরসাইকেল চালকদের বৈধ কাগজপত্র যাচাইকালে ১ হাজার ৯৭৬টি ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে ট্রাফিক পুলিশ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
শনিবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার মইজ্জ্যেরটেক পুলিশ বক্সের চেকপোস্টে তল্লাশিকালে ইয়াবা উদ্ধারসহ আটক করা হয় তাঁদের।
আটক ব্যক্তিরা হচ্ছেন, কক্সবাজার উখিয়ার নুরুল আমিনের পুত্র মো. মুসা (৩০) ও টেকনাফের শামসুল আলমের পুত্র ইমাম হোসেন (৩৪)। এ সময় তাঁদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়।
কর্ণফুলী ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ (টিআই) আবু সাঈদ বাকার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ট্রাফিক পুলিশ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী চেকপোস্টে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের কাগজপত্র যাচাই করছিল। এ সময় একটি মোটরসাইকেলের কাগজপত্র দেখার সময় চালকের পেছনে থাকা আরোহীকে সন্দেহ হলে তাঁকে তল্লাশি করা হয়। এ সময় তাঁর পরনে থাকা রেইন কোর্টের ভেতরে সাদা স্কচটেপে মোড়ানো ১০ প্যাকেটে ১ হাজার ৯৭৬টি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে