চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে মো. শাহজাহান (২২) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার রাত ১২টার দিকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
শাহজাহান উপজেলার নানুপুর ইউনিয়নের কিপাইতনগর গ্রামের মো. আবদুল মাজেদের ছেলে। তিনি বেশ কয়েক বছর ধরে মানসিক রোগে ভুগছিলেন।
উপজেলার নানুপুর ইউনিয়নের কিপাইতনগর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত বসতঘরের কক্ষ থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।
নানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. শফিউল আজম বলেন, শাহজাহানের এক ভাই বিদেশে থাকেন। পরিবারে শাহজাহান ও তাঁর বাবা, মা ছিলেন। তাঁদের পুরো পরিবারই মানসিক বিকারগ্রস্ত। এর আগেও শাহজাহান একবার আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন।
ফটিকছড়ি থানার ওসি মো. রবিউল ইসলাম বলেন, রাত ১২টার দিকে বাড়ি থেকে আধা কিলোমিটার দূরে একটি পরিত্যক্ত বসত ঘর থেকে শাহজাহানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে থানায় অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য আজ মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর কারণ বলা যাবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে