দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনে শনিবার (৩১ জানুয়ারি) পর্যটকদের ভ্রমণ শেষ হয়েছে। সরকারের সিদ্ধান্তে চলতি মৌসুমে ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে দৈনিক দুই হাজার করে পর্যটক দ্বীপে রাতযাপন ও ভ্রমণের অনুমতি পায়। পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় দুই বছর ধরে সরকার দ্বীপে পর্যটন নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ অক্টোবর টানা ৯ মাস পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আজ শনিবার ছিল পর্যটক ভ্রমণ ও রাতযাপনের শেষ দিন।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী, পর্যটন মৌসুমের নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সেন্ট মার্টিনে পর্যটক যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে কেবল রাতযাপনের সুযোগ দেওয়া হয়। ১২টি নির্দেশনা মেনে কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া বিআইডব্লিউটিএ জেটিঘাট থেকে জাহাজে করে ট্রাভেল পাস নিয়ে পর্যটকেরা সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ করেন।
এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নে কক্সবাজার সদর ও টেকনাফের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নেতৃত্বে ছয় সদস্যের দুটি কমিটি ছিল।
বঙ্গোপসাগরের বুকে আট বর্গকিলোমিটার আয়তনের প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন টেকনাফের একটি ইউনিয়ন। ২০২৩ সাল থেকে মিয়ানমারের রাখাইনে সংঘাতের কারণে টেকনাফ থেকে নাফ নদী হয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর পর থেকে ১২০ কিলোমিটার সমুদ্র পথ পাড়ি দিয়ে কক্সবাজার শহর থেকে জাহাজ চলাচল করে আসছিল।
সেন্ট মার্টিন রুটের জাহাজ মালিকদের সংগঠন সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বলেন, দুই মাসে ৭টি জাহাজে ১ লাখ ১০ হাজারের মতো পর্যটক ভ্রমণ করেছেন। গত বছরও একই পরিমাণ পর্যটক দ্বীপে ভ্রমণে গিয়েছিলেন।
পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের উপপরিচালক খন্দকার মাহমুদ পাশা বলেন, ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সেন্ট মার্টিনে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি ছিল। ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত দ্বীপে পর্যটক যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
৩৭ মিনিট আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে