মাদকের টাকা না পেয়ে চট্টগ্রামে নিজের মাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার এ ঘটনায় নিহতের ছেলে ওমর ফারুককে (২৩) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। এর আগে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগীর স্বামী।
গতকাল রোববার রাতে নগরীর পাহাড়তলী ভেলুয়ার দিঘির উত্তর পাড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত নারীর নাম রিনা আক্তার (৪০)। তিনি কুমিল্লার বুড়িচং থানার আক্তার হোসেনের স্ত্রী। পেশায় অটোচালক আক্তার হোসেন নগরীতে ভেলুয়ার দিঘি এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকেন।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. মাঈনুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ওমর ফারুক একজন মাদকসেবী। ঘটনার দিন সে তার মায়ের কাছে টাকা চেয়েছিল। এ সময় তাঁর মা টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় একপর্যায়ে ছেলে ঘরে থাকা বটি দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে।’
তিনি বলেন, ‘ওমর ফারুক এসএসসি পাস করার পর ভাটিয়ারি কলেজে ভর্তির চেষ্টা করে পারেনি। এরপর থেকে সে বেকার জীবন কাটাতে শুরু করে। ২০২০-২১ সালে করোনা মহামারীকালে সে মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ে। এরপর থেকে নিয়মিত মাদক সেবনের জন্য মায়ের কাছে টাকা চাইত।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে