
চট্টগ্রামে হালিশহরে নিজ বাসার সামনে মো. আকবর (৩৫) নামে এক যুবককে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, চাঁদা না পেয়ে সন্ত্রাসীরা তাঁকে হত্যা করেছে। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আজ শনিবার লাশ নিয়ে পরিবার ও এলাকাবাসী বিক্ষোভ করে।
এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ নগরের হালিশহর থানার মাইজপাড়া এলাকায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে মো. সোহেল (৩০) ও মো. আরমান (২০) নামে দুজনকে আটক করেছে।
নিহত আকবর মাইজপাড়া এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে। তাঁর স্ত্রী ও তিন সন্তান রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার দিন বাড়ির কাছে মোটরসাইকেলে আসা চার থেকে পাঁচজন যুবক আকবরকে ধারালো দা ও চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে যায়।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক আজকের পত্রিকাকে বলেন, শুক্রবার রাত ১১টা নাগাদ আকবরকে চমেক হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বোন মোছাম্মৎ সায়েমা আজকের পত্রিকাকে জানান, আকবর এলাকায় একটি ক্ষুদ্রঋণের সমবায় সমিতি চালাতেন। এলাকার মানুষ সমিতিতে সঞ্চয়ের টাকা জমা রাখতেন, ঋণও নিতেন। বছর দেড়েক আগে ওই সমিতি ছেড়ে দেন আকবর। কদিন আগে কয়েকজন ওই সমিতির কথা বলে চাঁদা দাবি করেন। সমিতি এখন বন্ধ হয়ে গেছে জানালেও তাঁরা চাঁদা দাবি করতেই থাকেন। আকবর চাঁদা দিতে রাজি না তারা তাঁকে হুমকি দিচ্ছিলেন। সায়েমা জানান, এ ঘটনায় কাশেম, সোহেল, আরমানসহ চারজনের নামে এবং অজ্ঞাতনামা সাত-আটজনের নামে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল আবছার বলেছেন, টাকাপয়সার লেনদেনের দ্বন্দ্বে আকবরকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন। এ ছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুজনকে আটক করা হয়েছে।
স্থানীয় আরও দুজন জানিয়েছেন, টাকাপয়সা লেনদেন নিয়ে আকবরের সঙ্গে তর্কে জড়িয়েছিলেন পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার সোহেল। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে সোহেল ফোন দিলে তাঁর পক্ষে তিনটি মোটরসাইকেলে করে এসে কয়েক যুবক এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
এদিকে চমেক হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে আকবরের লাশ হাসপাতাল থেকে এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে লাশবাহী খাটিয়া নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে নিহতের পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী। এ সময় খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি জানায় তারা। মিছিলটি নগরের হালিশহরে বিভিন্ন সড়কে প্রদক্ষিণ করে।
ওই বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেওয়া নিহতের নিকটাত্মীয় ও স্থানীয় বাসিন্দা নুর আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, লাশ নিয়ে এলাকাবাসী একটি বিক্ষোভ মিছিল করেছে। মিছিলটি মাইজপাড়া এলাকা থেকে শুরু করে ফইল্যাতলী বাজার, হালিশহর থানা চত্বর, হালিশহর বি-ব্লক ঘুরে হালিশহর ১০ নম্বর লেনে গিয়ে শেষ হয়েছে। লাশ দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

প্রাগপুরের বিলগাতুয়া সীমান্তের ১৫০/৩-এস সাব-পিলার সংলগ্ন শূন্যরেখায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিজিবি অবৈধ পুশইনের ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সীমান্তে অবস্থানরত ব্যক্তিদের ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানায়।
৪ মিনিট আগে
সুজন বড়ুয়া বলেন, ‘অভিযুক্তের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন-সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। প্রাথমিকভাবে পুলিশও ওই বিরোধকে তদন্তের অন্যতম বিষয় হিসেবে বিবেচনা করছে। তেজ বড়ুয়া গ্রেপ্তার হওয়ায় বিচারের পথ সুগম হলো। আমি কঠিন শাস্তি দাবি করছি।’
১৪ মিনিট আগে
মাভাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সাগর আহমেদ বলেন, ছাত্রশিবিরের এক নেতার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন ও ভ্রূণ হত্যার মতো গুরুতর অভিযোগ থাকলেও সেগুলো আড়াল করার উদ্দেশ্যে অপহরণের গল্প প্রচার করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
এসআই মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে স্থানীয় মুসল্লিরা লতা ইউনিয়নের খালপাড়ে বিরিঞ্চী পদ মণ্ডলের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁর মরদেহ শনাক্ত করে।
১ ঘণ্টা আগে