
রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনা খ্রিষ্টিয়ান হাসপাতালে একদল দুর্বৃত্ত হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তারা হাসপাতালের গাড়ি ও ফার্মেসির গ্লাস ভাঙচুর করেছে। এ সময় তাদের বাধা দিতে গিয়ে হাসপাতালের চার নিরাপত্তা প্রহরী আহত হন। গতকাল শনিবার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রবীর খিয়াং।
ডা. প্রবীর খিয়াং জানান, গতকাল সকাল ১০টায় হাসপাতালের মাঠে স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে এক রিকশাচালকের কথা-কাটাকাটি হচ্ছিল। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই যুবক রিকশাওয়ালাকে মারধর করলে ওই সময় সেখান দিয়ে যাওয়া চন্দ্রঘোনা ব্যাপ্টিস্ট চার্চের পালকপ্রধান রেভারেন্ড দিলীপ সরকার এর প্রতিবাদ করেন। এ নিয়ে তাঁর সঙ্গে যুবকের বাগ্বিতণ্ডা হয়। তখন কাছে দায়িত্বরত হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মীরা ছুটে এলে তাঁদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। এ ঘটনার রেশ ধরে ওই যুবক রাঙ্গুনিয়ার চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের বনগ্রাম এবং লিচুবাগান এলাকা থেকে লোকজন নিয়ে আসেন। ওই যুবকের নেতৃত্বে লাঠিসোঁটা নিয়ে প্রায় ২০ জনের মতো একটি দল গতকাল সন্ধ্যা ৭টায় হাসপাতালে হামলা করে। তারা হাসপাতালের গাড়ির গ্লাস এবং ফার্মেসির গ্লাস ভাঙচুর করে চলে যায়। হাসপাতালের পরিচালক আরও জানান, মাত্র ৩ মিনিটে হামলাকারীরা এই তাণ্ডব চালায়। হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মীরা বাধা দিলে তাঁদের লাঠি দিয়ে আঘাত করে ওই যুবকেরা। এতে হাসপাতালের নিজস্ব নিরাপত্তা প্রহরী সিরাজ, নুরুল আলম, জুনু, উচিং মারমা আহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় হাসপাতালের নিরাপত্তা কর্মকর্তা সিমসন চাকমা অজ্ঞাতনামা যুবকদের আসামি করে কাপ্তাই থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কায় কিসলু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গতকাল সন্ধ্যার পর পুলিশ ফোর্স হাসপাতালে যান। এ ঘটনায় তদন্তপূর্বক দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে