চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কৃষিজমিতে পড়া মর্টার শেলটি অবশেষে নিষ্ক্রিয় করেছে সেনাবাহিনীর বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে মর্টার শেলটি নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম হন তাঁরা। এই সময় মর্টার শেলটি বিস্ফোরণের শব্দে আশপাশের এলাকা কেঁপে ওঠে।
মর্টার শেল নিষ্ক্রিয় করতে গিয়ে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছেন সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর। তিনি জানান, গত মঙ্গলবার দুপুরে হঠাৎ কৃষিজমির পাশে থাকা কাদামাটিতে বিকট শব্দে উড়ে এসে পড়ে মর্টার শেলটি। এটি কাদামাটির অনেক গভীরে ঢুকে যায়। স্থানীয় কৃষকদের কাছ থেকে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উড়ে এসে পড়া বস্তুটি মর্টার শেল বলে নিশ্চিত হন তাঁরা। পরে বিষয়টি সেনাবাহিনীকে জানালে তারা মঙ্গলবার বিকেল থেকে মর্টার শেলটি নিষ্ক্রিয় করতে কাজ শুরু করে। তবে মাটির গভীরে ঢুকে যাওয়ায় এটি উদ্ধার করতে বেগ পেতে হয় তাদের। টানা তিন দিনের প্রচেষ্টা চালিয়ে গতকাল রাতে মর্টার শেলটি সেনাবাহিনীর বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম হয়।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে