ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় সায়মা আক্তার (১৮) নামের এক নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার (১৮ আগস্ট) সকালে উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের সীতারামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে পরিবারের লোকজন ঘরে সায়মাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাঁকে দ্রুত নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃতের বাবা সাদেক মিয়া জানান, মাত্র ২০ দিন আগে সৌদিপ্রবাসী আতিকের সঙ্গে মোবাইল ফোনে তাঁর মেয়ের বিয়ে হয়। তাঁর মেয়েজামাই আতিক একই উপজেলার গাজী মিয়ার ছেলে। এমন মৃত্যুর ঘটনার সঠিক কারণ সম্পর্কে তিনি কিছু জানাতে পারেননি।
খবর পেয়ে সায়মার লাশ তাঁর বাবার বাড়ি থেকে উদ্ধার করে নবীনগর থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
এ ব্যাপারে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর ইসলাম বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে