
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে দুর্বৃত্তদের হামলায় এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে কালিকচ্ছ ইউনিয়নের নন্দীপাড়া গ্রামে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়।
নিহত ব্যবসায়ীর নাম মোস্তফা কামাল। তিনি কালিকচ্ছ বর্ডার বাজারে মোবাইল ব্যাংকিং ও কনফেকশনারি ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি ডেলটা লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের কালিকচ্ছ শাখার ফিল্ড অফিসার ছিলেন। তাঁর বাবা সাবেক বিডিআর সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত মমিন মিয়া। তাঁদের পৈতৃক নিবাস চাঁদপুরে হলেও তাঁরা কালিকচ্ছ মধ্যপাড়ায় বাড়ি করে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছিলেন।
পুলিশ ও পরিবারের লোকজন জানান, মোস্তফা মঙ্গলবার রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে তাঁকে একা পেয়ে দুর্বৃত্তরা মাথা ও ঘাড়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যায়। পরে একজন পথচারী তাঁকে সড়কের পাশে পড়ে থাকতে দেখে পরিবারের লোকদের খবর দেন। এরপর তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে রাতেই সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। ওসি মোরশেদুল আলম চৌধুরী জানান, ঘটনাটির তদন্ত চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে