
পটুয়াখালীর দুমকিতে পায়রা সেতুর দক্ষিণ প্রান্তে টোল প্লাজা পুলিশ বক্স-সংলগ্ন সড়কের পাশ থেকে সজল কর্মকার (৪২) নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গতকাল বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেন।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে লেবুখালী ইস্পাহানি হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত সজল কর্মকার পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বগা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড রাজনগর গ্রামের রনজিৎ কর্মকারের ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাত ৮টার দিকে তিনি মোটরসাইকেলযোগে বাকেরগঞ্জের কলসকাঠি বন্দরে মেয়ের জামাইয়ের বাড়ি থেকে ফিরছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, ফেরার পথে পায়রা সেতুর দক্ষিণ প্রান্তে এসে তিনি সড়কের পাশে পড়ে যান। তবে এটি সড়ক দুর্ঘটনা নাকি স্ট্রোকজনিত মৃত্যু—তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বলে মনে হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে। লাশ পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে