মুলাদী (বরিশাল) প্রতিনিধি

বরিশালের মুলাদীতে ঔষধ প্রশাসনের অভিযানের সংবাদ পেয়ে দোকান বন্ধ করে পালালেন ব্যবসায়ীরা। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে ঔষধ প্রশাসনের অভিযান শুরু হলে মুলাদী বন্দরের ওষুধ ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে দেন।
ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ বিক্রি, মেয়াদহীন ওষুধ রাখার অভিযোগসহ বিভিন্ন অনিয়ম ধরা পড়ার ভয়ে ওষুধ ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে চলে গেছেন বলে জানান ভোক্তারা।
যেসব দোকানে অভিযানের সম্ভাবনা নেই, শুধু সেসব দোকান খোলা পেয়েছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
উপজেলা স্যানিটারি পরিদর্শক জাহানারা বেগম জানান, আজ সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরাগ সাহার নেতৃত্বে মুলাদী বন্দরে অভিযান চালায় ঔষধ প্রশাসন।
এ সময় বরিশাল জেলা ঔষধ তত্ত্বাবধায়ক অফিসের সহকারী পরিচালক আব্দুল বারী, মুলাদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হারুন অর রশিদসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দুপুর ১২টার দিকে কর্মকর্তারা মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে অভিযান শুরু করেন। এ সময় দুটি ওষুধের দোকানে কর্মকর্তারা অভিযান চালান।
সংবাদ পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনেসহ বাজারের অন্যান্য ওষুধের দোকান বন্ধ করে ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যান।
পরে তন্নী মেডিকেল হলমালিককে ১০ হাজার টাকা ও ঢালি ফার্মেসিকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরাগ সাহা জানান, মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে একটি দোকানে অবৈধভাবে ওষুধ বিক্রির প্রমাণ পাওয়া গেছে।
তন্নী মেডিকেল হল নামের ওষুধের দোকানের নিববন্ধন নেই এবং মালিকের ফার্মাসিস্টবিষয়ক প্রশিক্ষণ নেই। দোকানে ফ্রিজ কিংবা ফ্রিজার পাওয়া যায়নি। অ্যান্টিবায়োটিক, ভ্যাকসিনসহ অনেক ওষুধ খোলা রেখে বিক্রি করছেন দোকানমালিক আব্দুল মালেক সরদার। পরে দোকানমালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং আইন মেনে ওষুধ বিক্রয় করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বরিশালের মুলাদীতে ঔষধ প্রশাসনের অভিযানের সংবাদ পেয়ে দোকান বন্ধ করে পালালেন ব্যবসায়ীরা। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে ঔষধ প্রশাসনের অভিযান শুরু হলে মুলাদী বন্দরের ওষুধ ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে দেন।
ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ বিক্রি, মেয়াদহীন ওষুধ রাখার অভিযোগসহ বিভিন্ন অনিয়ম ধরা পড়ার ভয়ে ওষুধ ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে চলে গেছেন বলে জানান ভোক্তারা।
যেসব দোকানে অভিযানের সম্ভাবনা নেই, শুধু সেসব দোকান খোলা পেয়েছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
উপজেলা স্যানিটারি পরিদর্শক জাহানারা বেগম জানান, আজ সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরাগ সাহার নেতৃত্বে মুলাদী বন্দরে অভিযান চালায় ঔষধ প্রশাসন।
এ সময় বরিশাল জেলা ঔষধ তত্ত্বাবধায়ক অফিসের সহকারী পরিচালক আব্দুল বারী, মুলাদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হারুন অর রশিদসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দুপুর ১২টার দিকে কর্মকর্তারা মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে অভিযান শুরু করেন। এ সময় দুটি ওষুধের দোকানে কর্মকর্তারা অভিযান চালান।
সংবাদ পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনেসহ বাজারের অন্যান্য ওষুধের দোকান বন্ধ করে ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যান।
পরে তন্নী মেডিকেল হলমালিককে ১০ হাজার টাকা ও ঢালি ফার্মেসিকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরাগ সাহা জানান, মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে একটি দোকানে অবৈধভাবে ওষুধ বিক্রির প্রমাণ পাওয়া গেছে।
তন্নী মেডিকেল হল নামের ওষুধের দোকানের নিববন্ধন নেই এবং মালিকের ফার্মাসিস্টবিষয়ক প্রশিক্ষণ নেই। দোকানে ফ্রিজ কিংবা ফ্রিজার পাওয়া যায়নি। অ্যান্টিবায়োটিক, ভ্যাকসিনসহ অনেক ওষুধ খোলা রেখে বিক্রি করছেন দোকানমালিক আব্দুল মালেক সরদার। পরে দোকানমালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং আইন মেনে ওষুধ বিক্রয় করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে